শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

আদানি-বাংলাদেশ বিদ্যুৎচুক্তি: বকেয়া বিতর্কে কূটনৈতিক ভারসাম্যের পরীক্ষা

#
news image

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের প্রধান অংশীদারিত্বকারী প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের সঙ্গে বকেয়া নিয়ে টানাপোড়েন আবারও আলোচনায় এসেছে।

যদিও মঙ্গলবার ৩ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধের পর সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে, তবুও দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তির ব্যাখ্যা ও মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ রয়েই গেছে।

আদানির দাবি, তাদের মোট পাওনা ৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যার মধ্যে ২৬ কোটি ২০ লাখ ডলার নিয়ে কোনো বিরোধ নেই।

অন্যদিকে, পিডিবির দাবি- আদানি বাজার দামের চেয়ে অতিরিক্ত কয়লার মূল্য হিসাব করছে।
বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদানি প্রস্তাব দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের; কিন্তু পিডিবি রাজি হয়নি।

এদিকে পিডিবি জানিয়েছে, চুক্তির বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট মামলা চলমান আছে। আদালতের নির্দেশনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি কেবল আর্থিক নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও শক্তির রাজনীতিরও অংশ।
কারণ আদানি প্রকল্পটি ভারত সরকারের নীতি সমর্থনে হয়েছে এবং এতে বাংলাদেশের অবস্থান সরাসরি দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কিত।

একজন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ বলেন- “বাংলাদেশকে এখন খুব সতর্কভাবে ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে—একদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা, অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।”

বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এই বিরোধ যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে তা দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতায় আস্থার ঘাটতি তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, নিয়মিত অর্থপ্রদানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার আপাতত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখলেও ভবিষ্যতে এই চুক্তির পুনর্বিবেচনা অপরিহার্য হয়ে উঠছে।

কূটনৈতিক ও চুক্তিগত বিশ্লেষণ প্রতিবেদন

১২-১১-২০২৫ রাত ১২:৩৯

news image

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের প্রধান অংশীদারিত্বকারী প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের সঙ্গে বকেয়া নিয়ে টানাপোড়েন আবারও আলোচনায় এসেছে।

যদিও মঙ্গলবার ৩ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধের পর সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে, তবুও দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তির ব্যাখ্যা ও মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ রয়েই গেছে।

আদানির দাবি, তাদের মোট পাওনা ৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যার মধ্যে ২৬ কোটি ২০ লাখ ডলার নিয়ে কোনো বিরোধ নেই।

অন্যদিকে, পিডিবির দাবি- আদানি বাজার দামের চেয়ে অতিরিক্ত কয়লার মূল্য হিসাব করছে।
বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদানি প্রস্তাব দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের; কিন্তু পিডিবি রাজি হয়নি।

এদিকে পিডিবি জানিয়েছে, চুক্তির বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট মামলা চলমান আছে। আদালতের নির্দেশনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি কেবল আর্থিক নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও শক্তির রাজনীতিরও অংশ।
কারণ আদানি প্রকল্পটি ভারত সরকারের নীতি সমর্থনে হয়েছে এবং এতে বাংলাদেশের অবস্থান সরাসরি দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কিত।

একজন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ বলেন- “বাংলাদেশকে এখন খুব সতর্কভাবে ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে—একদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা, অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।”

বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এই বিরোধ যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে তা দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতায় আস্থার ঘাটতি তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, নিয়মিত অর্থপ্রদানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার আপাতত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখলেও ভবিষ্যতে এই চুক্তির পুনর্বিবেচনা অপরিহার্য হয়ে উঠছে।