শিরোনামঃ
কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির

জুলাই সনদ থেকে গণভোট- ইউনূস সরকারের ‘নতুন গণতন্ত্রের রূপরেখা’?

#
news image

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক ভাষণকে অনেকেই দেখছেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন গণতান্ত্রিক কাঠামো নির্মাণের রূপরেখা হিসেবে।

ভাষণে তিনি শুধু নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং ঘোষণা করেছেন- নির্বাচনের দিনই গণভোট, যার মাধ্যমে জনগণ নির্ধারণ করবে সংবিধান সংস্কারের পথ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক যুগান্তকারী প্রয়াস। কারণ প্রথমবার জনগণ সরাসরি সংবিধান সংশোধনের নীতিমালা নিয়ে ভোট দেবে।

“গণভোট ও নির্বাচন একই দিনে আয়োজন রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াবে, তবে প্রশাসনিকভাবে এটি বিশাল চ্যালেঞ্জ,”- বলেন এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

ভাষণে ইউনূস উল্লেখ করেছেন, দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি- এই প্রস্তাবগুলোতে ঐকমত্য এসেছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে।

তবে কিছু রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলছে, সংবিধান সংস্কারের মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে একই দিনে ভোট আয়োজন সাংবিধানিক ঝুঁকি ও রাজনৈতিক বিভাজন বাড়াতে পারে কি না।

অর্থনৈতিক অংশে ইউনূসের আশাবাদী মন্তব্য- “অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, বৈদেশিক বিনিয়োগ বেড়েছে”- সরকারকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও বাস্তবতা যাচাই এখনো বাকি।

ভাষণের শেষাংশে তিনি যে “নতুন বাংলাদেশ”-এর স্বপ্নের কথা বলেন, সেটি কেবল গণভোটের সফলতা ও রাজনৈতিক ঐক্যের ওপরই নির্ভরশীল বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

তানভীর সানি

১৪-১১-২০২৫ রাত ১২:১০

news image

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক ভাষণকে অনেকেই দেখছেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন গণতান্ত্রিক কাঠামো নির্মাণের রূপরেখা হিসেবে।

ভাষণে তিনি শুধু নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং ঘোষণা করেছেন- নির্বাচনের দিনই গণভোট, যার মাধ্যমে জনগণ নির্ধারণ করবে সংবিধান সংস্কারের পথ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক যুগান্তকারী প্রয়াস। কারণ প্রথমবার জনগণ সরাসরি সংবিধান সংশোধনের নীতিমালা নিয়ে ভোট দেবে।

“গণভোট ও নির্বাচন একই দিনে আয়োজন রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াবে, তবে প্রশাসনিকভাবে এটি বিশাল চ্যালেঞ্জ,”- বলেন এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

ভাষণে ইউনূস উল্লেখ করেছেন, দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি- এই প্রস্তাবগুলোতে ঐকমত্য এসেছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে।

তবে কিছু রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলছে, সংবিধান সংস্কারের মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে একই দিনে ভোট আয়োজন সাংবিধানিক ঝুঁকি ও রাজনৈতিক বিভাজন বাড়াতে পারে কি না।

অর্থনৈতিক অংশে ইউনূসের আশাবাদী মন্তব্য- “অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, বৈদেশিক বিনিয়োগ বেড়েছে”- সরকারকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও বাস্তবতা যাচাই এখনো বাকি।

ভাষণের শেষাংশে তিনি যে “নতুন বাংলাদেশ”-এর স্বপ্নের কথা বলেন, সেটি কেবল গণভোটের সফলতা ও রাজনৈতিক ঐক্যের ওপরই নির্ভরশীল বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।