শিরোনামঃ
 ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনসহ গুরুতর অপরাধের অভিযোগ বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি

একদিনেই স্বর্ণের দামে লাফ, ভরিতে ৮,৯০০ টাকা বাড়ায় চাপে ক্রেতারা

#
news image

স্বর্ণের বাজার যেন এখন রোলার কোস্টার—একদিন কমছে, পরদিনই বাড়ছে। টানা চার দফা কমার পর এবার এক লাফে ভরিতে ৮,৯০০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকায়, যা কার্যকর হবে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে।

সাম্প্রতিক এই দামবৃদ্ধি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, “স্বর্ণ এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে”, আবার কেউ কেউ মনে করছেন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় এটি অনিবার্য।

বাজুসের তথ্যমতে, চলতি বছর ইতিমধ্যে ৭১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে—এর মধ্যে বেড়েছে ৪৯ বার। গত বছরও দাম বাড়ার প্রবণতাই ছিল বেশি।

অন্যদিকে, রুপার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় আছে। ২২ ক্যারেট রুপা এখনো বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম অস্থির থাকায় স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। তবে এই ধারাবাহিক ওঠানামা ক্রেতাদের আস্থা কিছুটা কমিয়ে দিচ্ছে।”

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০-১০-২০২৫ রাত ১২:৮

news image

স্বর্ণের বাজার যেন এখন রোলার কোস্টার—একদিন কমছে, পরদিনই বাড়ছে। টানা চার দফা কমার পর এবার এক লাফে ভরিতে ৮,৯০০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকায়, যা কার্যকর হবে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে।

সাম্প্রতিক এই দামবৃদ্ধি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, “স্বর্ণ এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে”, আবার কেউ কেউ মনে করছেন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় এটি অনিবার্য।

বাজুসের তথ্যমতে, চলতি বছর ইতিমধ্যে ৭১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে—এর মধ্যে বেড়েছে ৪৯ বার। গত বছরও দাম বাড়ার প্রবণতাই ছিল বেশি।

অন্যদিকে, রুপার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় আছে। ২২ ক্যারেট রুপা এখনো বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম অস্থির থাকায় স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। তবে এই ধারাবাহিক ওঠানামা ক্রেতাদের আস্থা কিছুটা কমিয়ে দিচ্ছে।”