শিরোনামঃ
কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির

আগেভাগে সংশোধিত বাজেট, সংকোচনের পথে সরকার—নির্বাচন কি কারণ?

#
news image

অর্থবছরের মাঝামাঝি নয়, এবার আগেভাগেই শুরু হলো সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া। সাধারণত মার্চে এই কাজ হয়, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন থাকায় সরকার এবার বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থ বিভাগ সোমবার যে পরিপত্র জারি করেছে, তাতে স্পষ্ট বার্তা—ব্যয় নয়, সাশ্রয়ই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।

কৃচ্ছ্রসাধন নীতির আওতায় বিদেশ ভ্রমণ, নতুন গাড়ি বা জাহাজ কেনা, এমনকি ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয়ও স্থগিত করা হয়েছে। তবে অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় থাকবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংকোচনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সরকারের রাজস্ব সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপে নেওয়া সতর্ক পদক্ষেপ। রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, ডলার বাজারের অস্থিরতা এবং বর্ধিত আমদানি ব্যয়ের প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমানো এখন সরকারের প্রধান কৌশল।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের মূল লক্ষ্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ব্যয়বহুল কর্মসূচি বা বড় প্রকল্পে অর্থ ঢাললে জনগণের কাছে “অতিরিক্ত ব্যয়বহুল প্রশাসন” হিসেবে সমালোচনা হতে পারে—যা নির্বাচন পূর্ব সময়ে সরকার এড়াতে চায়।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্যও এটি সতর্কবার্তা—“অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করো, প্রয়োজনীয় খাতে মনোযোগ দাও।”

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮-১০-২০২৫ রাত ১২:৩৩

news image

অর্থবছরের মাঝামাঝি নয়, এবার আগেভাগেই শুরু হলো সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া। সাধারণত মার্চে এই কাজ হয়, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন থাকায় সরকার এবার বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থ বিভাগ সোমবার যে পরিপত্র জারি করেছে, তাতে স্পষ্ট বার্তা—ব্যয় নয়, সাশ্রয়ই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।

কৃচ্ছ্রসাধন নীতির আওতায় বিদেশ ভ্রমণ, নতুন গাড়ি বা জাহাজ কেনা, এমনকি ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয়ও স্থগিত করা হয়েছে। তবে অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় থাকবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংকোচনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সরকারের রাজস্ব সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপে নেওয়া সতর্ক পদক্ষেপ। রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, ডলার বাজারের অস্থিরতা এবং বর্ধিত আমদানি ব্যয়ের প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমানো এখন সরকারের প্রধান কৌশল।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের মূল লক্ষ্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ব্যয়বহুল কর্মসূচি বা বড় প্রকল্পে অর্থ ঢাললে জনগণের কাছে “অতিরিক্ত ব্যয়বহুল প্রশাসন” হিসেবে সমালোচনা হতে পারে—যা নির্বাচন পূর্ব সময়ে সরকার এড়াতে চায়।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্যও এটি সতর্কবার্তা—“অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করো, প্রয়োজনীয় খাতে মনোযোগ দাও।”