শিরোনামঃ
বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পেলেন ২০ নারী আইসিসিবিতে সুপার সেল কার বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতার সাড়ায় সময় বাড়ল বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান ক্লাব ও চট্টগ্রাম ক্লাবের ক্রীড়া উৎসব বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

আগেভাগে সংশোধিত বাজেট, সংকোচনের পথে সরকার—নির্বাচন কি কারণ?

#
news image

অর্থবছরের মাঝামাঝি নয়, এবার আগেভাগেই শুরু হলো সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া। সাধারণত মার্চে এই কাজ হয়, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন থাকায় সরকার এবার বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থ বিভাগ সোমবার যে পরিপত্র জারি করেছে, তাতে স্পষ্ট বার্তা—ব্যয় নয়, সাশ্রয়ই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।

কৃচ্ছ্রসাধন নীতির আওতায় বিদেশ ভ্রমণ, নতুন গাড়ি বা জাহাজ কেনা, এমনকি ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয়ও স্থগিত করা হয়েছে। তবে অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় থাকবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংকোচনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সরকারের রাজস্ব সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপে নেওয়া সতর্ক পদক্ষেপ। রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, ডলার বাজারের অস্থিরতা এবং বর্ধিত আমদানি ব্যয়ের প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমানো এখন সরকারের প্রধান কৌশল।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের মূল লক্ষ্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ব্যয়বহুল কর্মসূচি বা বড় প্রকল্পে অর্থ ঢাললে জনগণের কাছে “অতিরিক্ত ব্যয়বহুল প্রশাসন” হিসেবে সমালোচনা হতে পারে—যা নির্বাচন পূর্ব সময়ে সরকার এড়াতে চায়।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্যও এটি সতর্কবার্তা—“অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করো, প্রয়োজনীয় খাতে মনোযোগ দাও।”

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮-১০-২০২৫ রাত ১২:৩৩

news image

অর্থবছরের মাঝামাঝি নয়, এবার আগেভাগেই শুরু হলো সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া। সাধারণত মার্চে এই কাজ হয়, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন থাকায় সরকার এবার বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থ বিভাগ সোমবার যে পরিপত্র জারি করেছে, তাতে স্পষ্ট বার্তা—ব্যয় নয়, সাশ্রয়ই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।

কৃচ্ছ্রসাধন নীতির আওতায় বিদেশ ভ্রমণ, নতুন গাড়ি বা জাহাজ কেনা, এমনকি ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয়ও স্থগিত করা হয়েছে। তবে অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় থাকবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংকোচনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সরকারের রাজস্ব সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপে নেওয়া সতর্ক পদক্ষেপ। রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, ডলার বাজারের অস্থিরতা এবং বর্ধিত আমদানি ব্যয়ের প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমানো এখন সরকারের প্রধান কৌশল।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের মূল লক্ষ্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ব্যয়বহুল কর্মসূচি বা বড় প্রকল্পে অর্থ ঢাললে জনগণের কাছে “অতিরিক্ত ব্যয়বহুল প্রশাসন” হিসেবে সমালোচনা হতে পারে—যা নির্বাচন পূর্ব সময়ে সরকার এড়াতে চায়।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্যও এটি সতর্কবার্তা—“অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করো, প্রয়োজনীয় খাতে মনোযোগ দাও।”