শিরোনামঃ
গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায়? শিল্প খাতের উন্নয়ন ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী আবাসন খাতের সংকট কাটাতে নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা চায় রিহ্যাব বিএসটিআই-এর অভিযানে হায়ারের ২ টনের এসিতে কম কুলিং ক্ষমতার অভিযোগ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

#
news image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। তাই প্রয়োজনে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকির মাধ্যমেও গণমাধ্যমশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গণমাধ্যমকে নতুন দক্ষতা, প্রযুক্তি ও সময়োপযোগী আইনি কাঠামো গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের উচিত গণমাধ্যম শিল্পকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়া।

মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তারে প্রচলিত সংবাদমাধ্যম নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনে পাঠক ও দর্শকসংখ্যাকে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তিনি নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যম উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সুরক্ষার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও কর্মকর্তারা অনলাইন সংবাদমাধ্যমের জন্য পৃথক নীতিমালা, সরকারি বিজ্ঞাপনে নিবন্ধিত সব গণমাধ্যমকে অন্তর্ভুক্ত করা, বিজ্ঞাপন বণ্টনে স্বচ্ছতা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের দাবি জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭-৭-২০২৬ দুপুর ৪:৩১

news image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। তাই প্রয়োজনে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকির মাধ্যমেও গণমাধ্যমশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গণমাধ্যমকে নতুন দক্ষতা, প্রযুক্তি ও সময়োপযোগী আইনি কাঠামো গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের উচিত গণমাধ্যম শিল্পকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়া।

মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তারে প্রচলিত সংবাদমাধ্যম নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনে পাঠক ও দর্শকসংখ্যাকে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তিনি নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যম উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সুরক্ষার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও কর্মকর্তারা অনলাইন সংবাদমাধ্যমের জন্য পৃথক নীতিমালা, সরকারি বিজ্ঞাপনে নিবন্ধিত সব গণমাধ্যমকে অন্তর্ভুক্ত করা, বিজ্ঞাপন বণ্টনে স্বচ্ছতা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের দাবি জানান।