শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

নতুন এলাকা দখলের ইঙ্গিত পুতিনের, ইউরোপকে ‘গুরুতর পরিণতির’ হুঁশিয়ারি

#
news image

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া আরও এলাকা দখলের পথে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে পূর্ব ইউক্রেনের একাধিক শহর ও অঞ্চলের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব এলাকার দিকে এখন রুশ সেনাবাহিনীর নজর রয়েছে এবং চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই মস্কো নতুন ভূখণ্ড দখল করতে পারে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচিত এই যুদ্ধে রাশিয়া দায়ী নয়—এমন দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন পুতিন। ২০২২ সালে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে হতাহতের দায় তিনি নিজের ওপর নিচ্ছেন না বলেও জানান।

তবে বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুতিন নিজেই। সে সময় কিয়েভ অভিমুখে সেনা ও ট্যাংক পাঠানো হয়, যার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ক্ষমতা থেকে সরানো।

যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আলোচনা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘায়িত করা বা বিভিন্ন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন রাশিয়ার এই নেতা। তাঁর দাবি, মস্কো একাধিক সমঝোতায় রাজি হয়েছিল, যদিও সেগুলোর বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক, নতুন ঋণ সহায়তার পরিকল্পনা এবং রাশিয়ার সামরিক অগ্রগতির দাবির মধ্য দিয়ে যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে।

আন্তার্জাতিক ডেস্ক

১৯-১২-২০২৫ রাত ১০:৪২

news image

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া আরও এলাকা দখলের পথে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে পূর্ব ইউক্রেনের একাধিক শহর ও অঞ্চলের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব এলাকার দিকে এখন রুশ সেনাবাহিনীর নজর রয়েছে এবং চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই মস্কো নতুন ভূখণ্ড দখল করতে পারে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচিত এই যুদ্ধে রাশিয়া দায়ী নয়—এমন দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন পুতিন। ২০২২ সালে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে হতাহতের দায় তিনি নিজের ওপর নিচ্ছেন না বলেও জানান।

তবে বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুতিন নিজেই। সে সময় কিয়েভ অভিমুখে সেনা ও ট্যাংক পাঠানো হয়, যার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ক্ষমতা থেকে সরানো।

যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আলোচনা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘায়িত করা বা বিভিন্ন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন রাশিয়ার এই নেতা। তাঁর দাবি, মস্কো একাধিক সমঝোতায় রাজি হয়েছিল, যদিও সেগুলোর বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক, নতুন ঋণ সহায়তার পরিকল্পনা এবং রাশিয়ার সামরিক অগ্রগতির দাবির মধ্য দিয়ে যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে।