নতুন এলাকা দখলের ইঙ্গিত পুতিনের, ইউরোপকে ‘গুরুতর পরিণতির’ হুঁশিয়ারি
আন্তার্জাতিক ডেস্ক
১৯-১২-২০২৫ রাত ১০:৪২
নতুন এলাকা দখলের ইঙ্গিত পুতিনের, ইউরোপকে ‘গুরুতর পরিণতির’ হুঁশিয়ারি
ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া আরও এলাকা দখলের পথে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে পূর্ব ইউক্রেনের একাধিক শহর ও অঞ্চলের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব এলাকার দিকে এখন রুশ সেনাবাহিনীর নজর রয়েছে এবং চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই মস্কো নতুন ভূখণ্ড দখল করতে পারে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচিত এই যুদ্ধে রাশিয়া দায়ী নয়—এমন দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন পুতিন। ২০২২ সালে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে হতাহতের দায় তিনি নিজের ওপর নিচ্ছেন না বলেও জানান।
তবে বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুতিন নিজেই। সে সময় কিয়েভ অভিমুখে সেনা ও ট্যাংক পাঠানো হয়, যার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ক্ষমতা থেকে সরানো।
যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আলোচনা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘায়িত করা বা বিভিন্ন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন রাশিয়ার এই নেতা। তাঁর দাবি, মস্কো একাধিক সমঝোতায় রাজি হয়েছিল, যদিও সেগুলোর বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক, নতুন ঋণ সহায়তার পরিকল্পনা এবং রাশিয়ার সামরিক অগ্রগতির দাবির মধ্য দিয়ে যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে।
আন্তার্জাতিক ডেস্ক
১৯-১২-২০২৫ রাত ১০:৪২
ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া আরও এলাকা দখলের পথে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে পূর্ব ইউক্রেনের একাধিক শহর ও অঞ্চলের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব এলাকার দিকে এখন রুশ সেনাবাহিনীর নজর রয়েছে এবং চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই মস্কো নতুন ভূখণ্ড দখল করতে পারে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচিত এই যুদ্ধে রাশিয়া দায়ী নয়—এমন দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন পুতিন। ২০২২ সালে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে হতাহতের দায় তিনি নিজের ওপর নিচ্ছেন না বলেও জানান।
তবে বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুতিন নিজেই। সে সময় কিয়েভ অভিমুখে সেনা ও ট্যাংক পাঠানো হয়, যার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ক্ষমতা থেকে সরানো।
যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আলোচনা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘায়িত করা বা বিভিন্ন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন রাশিয়ার এই নেতা। তাঁর দাবি, মস্কো একাধিক সমঝোতায় রাজি হয়েছিল, যদিও সেগুলোর বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক, নতুন ঋণ সহায়তার পরিকল্পনা এবং রাশিয়ার সামরিক অগ্রগতির দাবির মধ্য দিয়ে যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে।