শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

নতুন এলাকা দখলের ইঙ্গিত পুতিনের, ইউরোপকে ‘গুরুতর পরিণতির’ হুঁশিয়ারি

#
news image

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া আরও এলাকা দখলের পথে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে পূর্ব ইউক্রেনের একাধিক শহর ও অঞ্চলের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব এলাকার দিকে এখন রুশ সেনাবাহিনীর নজর রয়েছে এবং চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই মস্কো নতুন ভূখণ্ড দখল করতে পারে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচিত এই যুদ্ধে রাশিয়া দায়ী নয়—এমন দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন পুতিন। ২০২২ সালে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে হতাহতের দায় তিনি নিজের ওপর নিচ্ছেন না বলেও জানান।

তবে বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুতিন নিজেই। সে সময় কিয়েভ অভিমুখে সেনা ও ট্যাংক পাঠানো হয়, যার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ক্ষমতা থেকে সরানো।

যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আলোচনা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘায়িত করা বা বিভিন্ন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন রাশিয়ার এই নেতা। তাঁর দাবি, মস্কো একাধিক সমঝোতায় রাজি হয়েছিল, যদিও সেগুলোর বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক, নতুন ঋণ সহায়তার পরিকল্পনা এবং রাশিয়ার সামরিক অগ্রগতির দাবির মধ্য দিয়ে যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে।

আন্তার্জাতিক ডেস্ক

১৯-১২-২০২৫ রাত ১০:৪২

news image

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া আরও এলাকা দখলের পথে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে পূর্ব ইউক্রেনের একাধিক শহর ও অঞ্চলের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব এলাকার দিকে এখন রুশ সেনাবাহিনীর নজর রয়েছে এবং চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই মস্কো নতুন ভূখণ্ড দখল করতে পারে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচিত এই যুদ্ধে রাশিয়া দায়ী নয়—এমন দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন পুতিন। ২০২২ সালে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে হতাহতের দায় তিনি নিজের ওপর নিচ্ছেন না বলেও জানান।

তবে বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুতিন নিজেই। সে সময় কিয়েভ অভিমুখে সেনা ও ট্যাংক পাঠানো হয়, যার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ক্ষমতা থেকে সরানো।

যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার আলোচনা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘায়িত করা বা বিভিন্ন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন রাশিয়ার এই নেতা। তাঁর দাবি, মস্কো একাধিক সমঝোতায় রাজি হয়েছিল, যদিও সেগুলোর বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক, নতুন ঋণ সহায়তার পরিকল্পনা এবং রাশিয়ার সামরিক অগ্রগতির দাবির মধ্য দিয়ে যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে।