শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে শুল্ক ও শক্তি প্রয়োগের হুমকি প্রত্যাহার

#
news image

 গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন পরিকল্পনার বিরোধিতা করার জন্য ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যে হুমকি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, সেখান থেকে তিনি সরে এসেছেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো ধরনের শক্তি প্রয়োগ করা হবে না।
মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, সম্ভাব্য চুক্তিতে খনিসংক্রান্ত অধিকার বা মিনারেল রাইটস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। রুটেও ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই অধিকার দেওয়ার বিষয়টি আলোচনার টেবিলে আছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থেকে রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘গোল্ডেন ডোম ডিফেন্স সিস্টেম’ নিয়ে একযোগে কাজ করতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থানের পাশাপাশি সেখানে থাকা বিরল খনিজ সম্পদের দিকেও আগে থেকেই নজর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব খনিজ মোবাইল ফোন, বৈদ্যুতিক যানবাহনসহ আধুনিক প্রযুক্তি উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ন্যাটোর মধ্যে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমীকরণ আরও জটিল আকার নিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

 
 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২২-১-২০২৬ দুপুর ১:৩৫

news image

 গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন পরিকল্পনার বিরোধিতা করার জন্য ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যে হুমকি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, সেখান থেকে তিনি সরে এসেছেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো ধরনের শক্তি প্রয়োগ করা হবে না।
মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, সম্ভাব্য চুক্তিতে খনিসংক্রান্ত অধিকার বা মিনারেল রাইটস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। রুটেও ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই অধিকার দেওয়ার বিষয়টি আলোচনার টেবিলে আছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থেকে রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘গোল্ডেন ডোম ডিফেন্স সিস্টেম’ নিয়ে একযোগে কাজ করতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থানের পাশাপাশি সেখানে থাকা বিরল খনিজ সম্পদের দিকেও আগে থেকেই নজর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব খনিজ মোবাইল ফোন, বৈদ্যুতিক যানবাহনসহ আধুনিক প্রযুক্তি উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ন্যাটোর মধ্যে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমীকরণ আরও জটিল আকার নিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।