শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

সু চি 'সুস্থ' আছেন দাবি জান্তার, প্রমাণ চাইলেন ছেলে কিম আরিস

#
news image

মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক জান্তা সরকার। সু চির ছেলে কিম আরিস তাঁর মায়ের জীবন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পর জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হলো। তবে জান্তার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে প্রমাণ চেয়েছেন আরিস।

জান্তার দাবি ও ছেলের উদ্বেগ
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম আরিস আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, তাঁর মা হয়তো আর বেঁচে নেই। তিনি বলেন, "মায়ের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি হয়তো মারা গেছেন, কিংবা মারা গেলেও হয়তো সেই খবর কোনোদিন জানতে পারব না।"

ছেলের এই বক্তব্যের পর মঙ্গলবার সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত 'মিয়ানমার ডিজিটাল নিউজ'-এ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সু চি ভালো আছেন। বিবৃতিতে সু চির নামের আগে সম্মানসূচক উপাধিও ব্যবহার করেছে জান্তা কর্তৃপক্ষ।

'সুস্থ থাকলে প্রমাণ দিন'
জান্তা সরকারের এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রয়টার্সকে কিম আরিস বলেন, "সামরিক বাহিনী কেবল মৌখিক দাবি করছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ দিচ্ছে না। মায়ের সাম্প্রতিক কোনো ছবি নেই; পরিবার, চিকিৎসক বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদেরও তাঁর কাছে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই।" তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যদি তাঁর মা সত্যিই সুস্থ থাকেন, তবে জান্তা সরকারকে সেটির প্রমাণ দেখাতে হবে।

সু চির শারীরিক অবস্থা ও বন্দিজীবন
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই অং সান সু চি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯টি অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত এক বছর ধরে তাঁর আইনজীবীরাও তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি।

এর আগে কিম আরিস জানিয়েছিলেন, ৭৯ বছর বয়সী সু চি দীর্ঘদিন ধরে দাঁত ও হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। এমনকি গত সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর জরুরি চিকিৎসা ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেখানোর প্রয়োজন থাকলেও জান্তা সরকার তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর প্রকৃত অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭-১২-২০২৫ বিকাল ৭:৩৬

news image

মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক জান্তা সরকার। সু চির ছেলে কিম আরিস তাঁর মায়ের জীবন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পর জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হলো। তবে জান্তার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে প্রমাণ চেয়েছেন আরিস।

জান্তার দাবি ও ছেলের উদ্বেগ
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম আরিস আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, তাঁর মা হয়তো আর বেঁচে নেই। তিনি বলেন, "মায়ের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি হয়তো মারা গেছেন, কিংবা মারা গেলেও হয়তো সেই খবর কোনোদিন জানতে পারব না।"

ছেলের এই বক্তব্যের পর মঙ্গলবার সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত 'মিয়ানমার ডিজিটাল নিউজ'-এ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সু চি ভালো আছেন। বিবৃতিতে সু চির নামের আগে সম্মানসূচক উপাধিও ব্যবহার করেছে জান্তা কর্তৃপক্ষ।

'সুস্থ থাকলে প্রমাণ দিন'
জান্তা সরকারের এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রয়টার্সকে কিম আরিস বলেন, "সামরিক বাহিনী কেবল মৌখিক দাবি করছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ দিচ্ছে না। মায়ের সাম্প্রতিক কোনো ছবি নেই; পরিবার, চিকিৎসক বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদেরও তাঁর কাছে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই।" তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যদি তাঁর মা সত্যিই সুস্থ থাকেন, তবে জান্তা সরকারকে সেটির প্রমাণ দেখাতে হবে।

সু চির শারীরিক অবস্থা ও বন্দিজীবন
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই অং সান সু চি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯টি অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত এক বছর ধরে তাঁর আইনজীবীরাও তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি।

এর আগে কিম আরিস জানিয়েছিলেন, ৭৯ বছর বয়সী সু চি দীর্ঘদিন ধরে দাঁত ও হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। এমনকি গত সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর জরুরি চিকিৎসা ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেখানোর প্রয়োজন থাকলেও জান্তা সরকার তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর প্রকৃত অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে।