শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

বক্তব্য সম্পাদনা বনাম মানহানি: বিবিসির সঙ্গে ট্রাম্পের আইনি লড়াই কতটা গুরুতর?

#
news image

প্যানোরামা প্রামাণ্যচিত্রে ৬ জানুয়ারির ভাষণ সম্পাদনা নিয়ে বিবিসির বিরুদ্ধে ৫ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই মামলা শুধু একটি গণমাধ্যম সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নয়, বরং সম্পাদকীয় স্বাধীনতা ও দায়বদ্ধতার প্রশ্নেও নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল দাঙ্গার আগে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমরা ক্যাপিটলের দিকে হাঁটব এবং আমাদের সাহসী সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানদের উৎসাহ দেব।’ প্রায় ৫০ মিনিট পর তিনি বলেন, ‘আর আমরা লড়ব। আমরা মরিয়া হয়ে লড়ব।’

কিন্তু বিবিসির প্যানোরামা প্রামাণ্যচিত্রে ভাষণের মাঝের অংশ বাদ দিয়ে বক্তব্যটি এমনভাবে দেখানো হয়—‘আমরা ক্যাপিটলের দিকে হাঁটব… এবং আমি তোমাদের সঙ্গে থাকব। আর আমরা লড়ব। আমরা মরিয়া হয়ে লড়ব।’ বিবিসি স্বীকার করেছে, এই সম্পাদনার ফলে দর্শকদের কাছে ট্রাম্পের বক্তব্য সরাসরি সহিংসতার আহ্বান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

ট্রাম্পপক্ষের দাবি, এটি ছিল ইচ্ছাকৃত ও বিদ্বেষমূলক বিকৃতি, যা তাঁর রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। অন্যদিকে বিবিসির অবস্থান, এই সম্পাদনা মানহানির পর্যায়ে পড়ে না এবং মামলার কোনো যুক্তিসংগত আইনি ভিত্তি নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, মামলাটি গণমাধ্যমের সম্পাদনাগত স্বাধীনতা বনাম ব্যক্তির সুনাম রক্ষার আইনি সীমারেখা নতুন করে নির্ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের করা এই মামলা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর জন্যও একটি সতর্কবার্তা হয়ে উঠতে পারে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭-১২-২০২৫ রাত ১২:১৭

news image

প্যানোরামা প্রামাণ্যচিত্রে ৬ জানুয়ারির ভাষণ সম্পাদনা নিয়ে বিবিসির বিরুদ্ধে ৫ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই মামলা শুধু একটি গণমাধ্যম সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নয়, বরং সম্পাদকীয় স্বাধীনতা ও দায়বদ্ধতার প্রশ্নেও নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল দাঙ্গার আগে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমরা ক্যাপিটলের দিকে হাঁটব এবং আমাদের সাহসী সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানদের উৎসাহ দেব।’ প্রায় ৫০ মিনিট পর তিনি বলেন, ‘আর আমরা লড়ব। আমরা মরিয়া হয়ে লড়ব।’

কিন্তু বিবিসির প্যানোরামা প্রামাণ্যচিত্রে ভাষণের মাঝের অংশ বাদ দিয়ে বক্তব্যটি এমনভাবে দেখানো হয়—‘আমরা ক্যাপিটলের দিকে হাঁটব… এবং আমি তোমাদের সঙ্গে থাকব। আর আমরা লড়ব। আমরা মরিয়া হয়ে লড়ব।’ বিবিসি স্বীকার করেছে, এই সম্পাদনার ফলে দর্শকদের কাছে ট্রাম্পের বক্তব্য সরাসরি সহিংসতার আহ্বান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

ট্রাম্পপক্ষের দাবি, এটি ছিল ইচ্ছাকৃত ও বিদ্বেষমূলক বিকৃতি, যা তাঁর রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। অন্যদিকে বিবিসির অবস্থান, এই সম্পাদনা মানহানির পর্যায়ে পড়ে না এবং মামলার কোনো যুক্তিসংগত আইনি ভিত্তি নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, মামলাটি গণমাধ্যমের সম্পাদনাগত স্বাধীনতা বনাম ব্যক্তির সুনাম রক্ষার আইনি সীমারেখা নতুন করে নির্ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের করা এই মামলা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর জন্যও একটি সতর্কবার্তা হয়ে উঠতে পারে।