শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

নথিপত্রহীন জ্বালানি পরিবহন, ১৮ বিদেশি ক্রুসহ ট্যাঙ্কার আটক ইরানের জলসীমায়

#
news image

ইরানের জলসীমায় আটক বিদেশি জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কারটিতে বৈধ সামুদ্রিক নথিপত্র ও জ্বালানি কার্গোর কোনো বিল অব লোডিং পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ।

হরমোজগান প্রদেশের প্রধান বিচারপতি মোজতবা গাহরেমান জানান, ট্যাঙ্কারটি সব নেভিগেশন ও নেভিগেশন সহায়ক ব্যবস্থা বন্ধ করে চলাচল করছিল। থামার নির্দেশ উপেক্ষা করে পালানোর চেষ্টা, রাডার বন্ধ রাখা এবং জব্দের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে জাহাজের সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো একাধিক গুরুতর নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ট্যাঙ্কারে থাকা ৬০ লাখ লিটার চোরাই জ্বালানি প্রায় ২০০টি ছোট জাহাজ অথবা দুই হাজার নিসান পিকআপ ট্রাকের ধারণক্ষমতার সমান বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় জাস্ক কাউন্টির পাবলিক অ্যান্ড রেভলিউশনারি প্রসিকিউটর অফিসে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্যাঙ্কারের ক্যাপ্টেন ও ১৮ জন ক্রুকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। ক্রুদের মধ্যে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন, তবে দেশভিত্তিক সংখ্যা জানানো হয়নি।

তদন্ত শেষে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা ইরনা ও ফার্সনিউজ।

আন্তার্জাতিক ডেস্ক

১৪-১২-২০২৫ রাত ১২:৫

news image

ইরানের জলসীমায় আটক বিদেশি জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কারটিতে বৈধ সামুদ্রিক নথিপত্র ও জ্বালানি কার্গোর কোনো বিল অব লোডিং পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ।

হরমোজগান প্রদেশের প্রধান বিচারপতি মোজতবা গাহরেমান জানান, ট্যাঙ্কারটি সব নেভিগেশন ও নেভিগেশন সহায়ক ব্যবস্থা বন্ধ করে চলাচল করছিল। থামার নির্দেশ উপেক্ষা করে পালানোর চেষ্টা, রাডার বন্ধ রাখা এবং জব্দের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে জাহাজের সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো একাধিক গুরুতর নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ট্যাঙ্কারে থাকা ৬০ লাখ লিটার চোরাই জ্বালানি প্রায় ২০০টি ছোট জাহাজ অথবা দুই হাজার নিসান পিকআপ ট্রাকের ধারণক্ষমতার সমান বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় জাস্ক কাউন্টির পাবলিক অ্যান্ড রেভলিউশনারি প্রসিকিউটর অফিসে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্যাঙ্কারের ক্যাপ্টেন ও ১৮ জন ক্রুকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। ক্রুদের মধ্যে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন, তবে দেশভিত্তিক সংখ্যা জানানো হয়নি।

তদন্ত শেষে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা ইরনা ও ফার্সনিউজ।