শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

অর্থনীতিতে বড় অবদান, তবুও অভিবাসীরা রাজনৈতিক বিভাজনের কেন্দ্রে

#
news image

অভিবাসীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের প্রকৃত ভূমিকা। শ্রমশক্তির প্রায় ১৯.২ শতাংশ অভিবাসী এবং উৎপাদন, পরিবহন, পরিষেবা ও নির্মাণখাতের বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত কর্মীদের মাধ্যমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ফরচুন ৫০০’ তালিকায় থাকা ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাই অভিবাসী পরিবারের সন্তান। অ্যাপল, অ্যামাজন, ডোরড্যাশ—সবই অভিবাসীদের হাতে গড়া উদ্যোগ। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও গবেষণাক্ষেত্রে যে ১৬ শতাংশ কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল অভিবাসী বংশোদ্ভূত।

তবুও ট্রাম্প প্রশাসন শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থগিত, ভিসা ফি বৃদ্ধি ও ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রমের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে শ্রম বিভাগ। কৃষিখাতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ শতাংশ শ্রমিকই বিদেশি বংশোদ্ভূত, যা নীতিগত কঠোরতায় ঝুঁকিতে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভিবাসন সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমশক্তি কমে যাবে—ফল হিসেবে উৎপাদন, পরিষেবা, এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। পিটারসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, ১৩ লাখ থেকে ৮৩ লাখ অভিবাসী বহিষ্কার করলে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

অভিবাসন আইন কঠোর করাকে ট্রাম্প প্রশাসন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির সাথে যুক্ত করলেও অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, অভিবাসীরা উৎপাদনশীলতা বাড়ান, কর দেন এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করেন—যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:২৪

news image

অভিবাসীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের প্রকৃত ভূমিকা। শ্রমশক্তির প্রায় ১৯.২ শতাংশ অভিবাসী এবং উৎপাদন, পরিবহন, পরিষেবা ও নির্মাণখাতের বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত কর্মীদের মাধ্যমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ফরচুন ৫০০’ তালিকায় থাকা ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাই অভিবাসী পরিবারের সন্তান। অ্যাপল, অ্যামাজন, ডোরড্যাশ—সবই অভিবাসীদের হাতে গড়া উদ্যোগ। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও গবেষণাক্ষেত্রে যে ১৬ শতাংশ কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল অভিবাসী বংশোদ্ভূত।

তবুও ট্রাম্প প্রশাসন শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থগিত, ভিসা ফি বৃদ্ধি ও ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রমের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে শ্রম বিভাগ। কৃষিখাতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ শতাংশ শ্রমিকই বিদেশি বংশোদ্ভূত, যা নীতিগত কঠোরতায় ঝুঁকিতে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভিবাসন সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমশক্তি কমে যাবে—ফল হিসেবে উৎপাদন, পরিষেবা, এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। পিটারসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, ১৩ লাখ থেকে ৮৩ লাখ অভিবাসী বহিষ্কার করলে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

অভিবাসন আইন কঠোর করাকে ট্রাম্প প্রশাসন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির সাথে যুক্ত করলেও অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, অভিবাসীরা উৎপাদনশীলতা বাড়ান, কর দেন এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করেন—যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।