শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

যুদ্ধবিরতির মাঝেই সীমান্তে সংঘর্ষ: পাকিস্তান–তালেবান সম্পর্ক কোন দিকে যাচ্ছে?

#
news image

কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। শুক্রবার রাতে হওয়া চার ঘণ্টার গোলাগুলি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়, দুই দেশের আস্থার সংকটও আরও গভীর করে তুলছে।

তালেবান বলছে, পাকিস্তানই প্রথম আক্রমণ করেছে, আর ইসলামাবাদ বলছে, তালেবানের দিক থেকেই উস্কানি এসেছে। দুই দেশের বক্তব্যের এমন বিপরীতমুখী পরিস্থিতি সম্পর্কের অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো পাকিস্তান তালেবানের ওপর টিটিপিকে দমন করার চাপ বাড়িয়েছে। টিটিপির ৬০০–এর বেশি হামলার পর পাকিস্তান সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। আইএসপিআর ঘোষিত সাম্প্রতিক অভিযানে টিটিপির ৯ সদস্য নিহত হওয়াও সেই চাপের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, তালেবান নেতৃত্ব প্রকাশ্যে টিটিপিকে সমর্থন না করলেও তাদের দমনেও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এ অভিযোগ পাকিস্তানের। ফলে তালেবান সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের টানাপোড়েন এখন নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

সৌদি আরবে দুই দেশের সাম্প্রতিক শান্তি বৈঠকেও কোনো সমাধান হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংঘর্ষ শুধু যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকেই অনিশ্চিত করছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা কাঠামোতেও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৬-১২-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। শুক্রবার রাতে হওয়া চার ঘণ্টার গোলাগুলি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়, দুই দেশের আস্থার সংকটও আরও গভীর করে তুলছে।

তালেবান বলছে, পাকিস্তানই প্রথম আক্রমণ করেছে, আর ইসলামাবাদ বলছে, তালেবানের দিক থেকেই উস্কানি এসেছে। দুই দেশের বক্তব্যের এমন বিপরীতমুখী পরিস্থিতি সম্পর্কের অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো পাকিস্তান তালেবানের ওপর টিটিপিকে দমন করার চাপ বাড়িয়েছে। টিটিপির ৬০০–এর বেশি হামলার পর পাকিস্তান সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। আইএসপিআর ঘোষিত সাম্প্রতিক অভিযানে টিটিপির ৯ সদস্য নিহত হওয়াও সেই চাপের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, তালেবান নেতৃত্ব প্রকাশ্যে টিটিপিকে সমর্থন না করলেও তাদের দমনেও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এ অভিযোগ পাকিস্তানের। ফলে তালেবান সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের টানাপোড়েন এখন নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

সৌদি আরবে দুই দেশের সাম্প্রতিক শান্তি বৈঠকেও কোনো সমাধান হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংঘর্ষ শুধু যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকেই অনিশ্চিত করছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা কাঠামোতেও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।