শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

পাকিস্তানে ‘এক সেনাপ্রধানের’ যুগ? নতুন সংশোধনীতে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের আশঙ্কা

#
news image

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী ঘিরে এক নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির সেনাপ্রধান হবেন একক সামরিক কর্তৃত্বের প্রতীক- যা ইতিহাসে প্রথম।

নতুন পদ ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ)’ গঠনের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনী একক নেতৃত্বে আসবে। এতে বেসামরিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংস্কার শুধু কাঠামোগত নয়; এটি সামরিক রাজনীতির দিকেও এক বড় ইঙ্গিত বহন করছে। মানবাধিকার কর্মী শিরিন মাজারি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি বিমান ও নৌবাহিনীর পদোন্নতি সেনাবাহিনীর হাতে যায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে।’

সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা হলো- পাঁচ তারকা অফিসারদের আজীবন সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া। এতে ফিল্ড মার্শালসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির মতোই অব্যাহতি সুরক্ষা পাবেন। অনেকেই মনে করছেন, এটি মূলত জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে স্থায়ী বৈধতা দিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

সমালোচকরা বলছেন, এই সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের সংবিধান ‘সেনা কর্তৃত্বের দলিল’ হয়ে উঠবে। ইতিহাস বলে, একবার সামরিক ক্ষমতা সংবিধানে ঢুকে গেলে তা আর সহজে বেসামরিক হাতে ফেরে না।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০-১১-২০২৫ রাত ১২:২৬

news image

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী ঘিরে এক নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির সেনাপ্রধান হবেন একক সামরিক কর্তৃত্বের প্রতীক- যা ইতিহাসে প্রথম।

নতুন পদ ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ)’ গঠনের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনী একক নেতৃত্বে আসবে। এতে বেসামরিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংস্কার শুধু কাঠামোগত নয়; এটি সামরিক রাজনীতির দিকেও এক বড় ইঙ্গিত বহন করছে। মানবাধিকার কর্মী শিরিন মাজারি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি বিমান ও নৌবাহিনীর পদোন্নতি সেনাবাহিনীর হাতে যায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে।’

সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা হলো- পাঁচ তারকা অফিসারদের আজীবন সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া। এতে ফিল্ড মার্শালসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির মতোই অব্যাহতি সুরক্ষা পাবেন। অনেকেই মনে করছেন, এটি মূলত জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে স্থায়ী বৈধতা দিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

সমালোচকরা বলছেন, এই সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের সংবিধান ‘সেনা কর্তৃত্বের দলিল’ হয়ে উঠবে। ইতিহাস বলে, একবার সামরিক ক্ষমতা সংবিধানে ঢুকে গেলে তা আর সহজে বেসামরিক হাতে ফেরে না।