শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘লকডাউন’ ডাক: রাজনৈতিক বার্তা না উসকানি?

#
news image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি। সরকার ও নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা এই দলের পক্ষ থেকে হঠাৎ ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনে নড়চড় শুরু হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক- যেটি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার- হঠাৎ আগাম ডাকা হয়। বৈঠকে ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট বসানো এবং মাঠে সেনাবাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই তৎপরতা মূলত এক “প্রতিরোধমূলক বার্তা”- যে কোনো দল, সংগঠন বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন রাজপথে ছড়ানোর আগেই দমন করা হবে।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কিছু মধ্যম সারির নেতার অনলাইন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কিছু সংগঠিত তৎপরতা মিলতে পারে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে- ‘নিষিদ্ধ দলের রাজনীতি কি নতুন রূপে ফিরে আসছে?’

বিশেষ প্রতিনিধি

৯-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৬

news image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি। সরকার ও নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা এই দলের পক্ষ থেকে হঠাৎ ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনে নড়চড় শুরু হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক- যেটি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার- হঠাৎ আগাম ডাকা হয়। বৈঠকে ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট বসানো এবং মাঠে সেনাবাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই তৎপরতা মূলত এক “প্রতিরোধমূলক বার্তা”- যে কোনো দল, সংগঠন বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন রাজপথে ছড়ানোর আগেই দমন করা হবে।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কিছু মধ্যম সারির নেতার অনলাইন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কিছু সংগঠিত তৎপরতা মিলতে পারে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে- ‘নিষিদ্ধ দলের রাজনীতি কি নতুন রূপে ফিরে আসছে?’