শিরোনামঃ
কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘লকডাউন’ ডাক: রাজনৈতিক বার্তা না উসকানি?

#
news image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি। সরকার ও নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা এই দলের পক্ষ থেকে হঠাৎ ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনে নড়চড় শুরু হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক- যেটি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার- হঠাৎ আগাম ডাকা হয়। বৈঠকে ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট বসানো এবং মাঠে সেনাবাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই তৎপরতা মূলত এক “প্রতিরোধমূলক বার্তা”- যে কোনো দল, সংগঠন বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন রাজপথে ছড়ানোর আগেই দমন করা হবে।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কিছু মধ্যম সারির নেতার অনলাইন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কিছু সংগঠিত তৎপরতা মিলতে পারে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে- ‘নিষিদ্ধ দলের রাজনীতি কি নতুন রূপে ফিরে আসছে?’

বিশেষ প্রতিনিধি

৯-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৬

news image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি। সরকার ও নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা এই দলের পক্ষ থেকে হঠাৎ ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনে নড়চড় শুরু হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক- যেটি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার- হঠাৎ আগাম ডাকা হয়। বৈঠকে ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট বসানো এবং মাঠে সেনাবাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই তৎপরতা মূলত এক “প্রতিরোধমূলক বার্তা”- যে কোনো দল, সংগঠন বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন রাজপথে ছড়ানোর আগেই দমন করা হবে।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কিছু মধ্যম সারির নেতার অনলাইন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কিছু সংগঠিত তৎপরতা মিলতে পারে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে- ‘নিষিদ্ধ দলের রাজনীতি কি নতুন রূপে ফিরে আসছে?’