শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘লকডাউন’ ডাক: রাজনৈতিক বার্তা না উসকানি?

#
news image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি। সরকার ও নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা এই দলের পক্ষ থেকে হঠাৎ ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনে নড়চড় শুরু হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক- যেটি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার- হঠাৎ আগাম ডাকা হয়। বৈঠকে ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট বসানো এবং মাঠে সেনাবাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই তৎপরতা মূলত এক “প্রতিরোধমূলক বার্তা”- যে কোনো দল, সংগঠন বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন রাজপথে ছড়ানোর আগেই দমন করা হবে।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কিছু মধ্যম সারির নেতার অনলাইন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কিছু সংগঠিত তৎপরতা মিলতে পারে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে- ‘নিষিদ্ধ দলের রাজনীতি কি নতুন রূপে ফিরে আসছে?’

বিশেষ প্রতিনিধি

৯-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৬

news image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি। সরকার ও নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা এই দলের পক্ষ থেকে হঠাৎ ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনে নড়চড় শুরু হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক- যেটি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার- হঠাৎ আগাম ডাকা হয়। বৈঠকে ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট বসানো এবং মাঠে সেনাবাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই তৎপরতা মূলত এক “প্রতিরোধমূলক বার্তা”- যে কোনো দল, সংগঠন বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন রাজপথে ছড়ানোর আগেই দমন করা হবে।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কিছু মধ্যম সারির নেতার অনলাইন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কিছু সংগঠিত তৎপরতা মিলতে পারে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে- ‘নিষিদ্ধ দলের রাজনীতি কি নতুন রূপে ফিরে আসছে?’