শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়? আলোচনায় বসতে শর্ত দিচ্ছে বিএনপি

#
news image

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলটি সংলাপে যেতে চায়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

তিনি বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আহ্বান জানান, আমরা আলোচনায় যাব; কিন্তু অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আহ্বান জানানো গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে, বিএনপি এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি এখন একদিকে আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সংলাপের পথ খোলা রাখছে—যাতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের অবস্থানকে ‘সংলাপমুখী’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া সতর্কতা রাজনৈতিক জোট রাজনীতিতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেছেন, “জামায়াত যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চায়, তবে তা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৫

news image

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলটি সংলাপে যেতে চায়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

তিনি বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আহ্বান জানান, আমরা আলোচনায় যাব; কিন্তু অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আহ্বান জানানো গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে, বিএনপি এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি এখন একদিকে আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সংলাপের পথ খোলা রাখছে—যাতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের অবস্থানকে ‘সংলাপমুখী’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া সতর্কতা রাজনৈতিক জোট রাজনীতিতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেছেন, “জামায়াত যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চায়, তবে তা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।