শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়? আলোচনায় বসতে শর্ত দিচ্ছে বিএনপি

#
news image

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলটি সংলাপে যেতে চায়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

তিনি বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আহ্বান জানান, আমরা আলোচনায় যাব; কিন্তু অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আহ্বান জানানো গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে, বিএনপি এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি এখন একদিকে আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সংলাপের পথ খোলা রাখছে—যাতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের অবস্থানকে ‘সংলাপমুখী’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া সতর্কতা রাজনৈতিক জোট রাজনীতিতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেছেন, “জামায়াত যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চায়, তবে তা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৫

news image

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলটি সংলাপে যেতে চায়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

তিনি বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আহ্বান জানান, আমরা আলোচনায় যাব; কিন্তু অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আহ্বান জানানো গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে, বিএনপি এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি এখন একদিকে আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সংলাপের পথ খোলা রাখছে—যাতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের অবস্থানকে ‘সংলাপমুখী’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া সতর্কতা রাজনৈতিক জোট রাজনীতিতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেছেন, “জামায়াত যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চায়, তবে তা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।