শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়? আলোচনায় বসতে শর্ত দিচ্ছে বিএনপি

#
news image

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলটি সংলাপে যেতে চায়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

তিনি বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আহ্বান জানান, আমরা আলোচনায় যাব; কিন্তু অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আহ্বান জানানো গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে, বিএনপি এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি এখন একদিকে আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সংলাপের পথ খোলা রাখছে—যাতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের অবস্থানকে ‘সংলাপমুখী’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া সতর্কতা রাজনৈতিক জোট রাজনীতিতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেছেন, “জামায়াত যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চায়, তবে তা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৫

news image

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলটি সংলাপে যেতে চায়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

তিনি বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আহ্বান জানান, আমরা আলোচনায় যাব; কিন্তু অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আহ্বান জানানো গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে, বিএনপি এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি এখন একদিকে আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সংলাপের পথ খোলা রাখছে—যাতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের অবস্থানকে ‘সংলাপমুখী’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া সতর্কতা রাজনৈতিক জোট রাজনীতিতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেছেন, “জামায়াত যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চায়, তবে তা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।