শিরোনামঃ
সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ও বিভিন্ন দেশের রুলিং ও সংসদীয় রীতিনীতি অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর অভিযোগ, ভাটারা থানায় জিডি মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত ‘কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, সব খুঁজে বের করতে হবে’ সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে প্রথম শর্ত আইনের শাসন ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে? চিকিৎসা কষ্টে থাকা কাঙালিনী সুফিয়ার দায়িত্ব নিল আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমার শঙ্কা, ক্ষতির মুখে সংশ্লিষ্ট শিল্প

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়? আলোচনায় বসতে শর্ত দিচ্ছে বিএনপি

#
news image

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলটি সংলাপে যেতে চায়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

তিনি বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আহ্বান জানান, আমরা আলোচনায় যাব; কিন্তু অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আহ্বান জানানো গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে, বিএনপি এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি এখন একদিকে আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সংলাপের পথ খোলা রাখছে—যাতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের অবস্থানকে ‘সংলাপমুখী’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া সতর্কতা রাজনৈতিক জোট রাজনীতিতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেছেন, “জামায়াত যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চায়, তবে তা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৫

news image

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলটি সংলাপে যেতে চায়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

তিনি বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আহ্বান জানান, আমরা আলোচনায় যাব; কিন্তু অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আহ্বান জানানো গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে, বিএনপি এখনো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি এখন একদিকে আন্দোলনের গতি ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সংলাপের পথ খোলা রাখছে—যাতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের অবস্থানকে ‘সংলাপমুখী’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া সতর্কতা রাজনৈতিক জোট রাজনীতিতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেছেন, “জামায়াত যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চায়, তবে তা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের অবস্থান আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।