শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

‘ডাইনোসর’ মন্তব্য ও হিজবুল্লাহ ইস্যু: লেবাননকে নতুন চাপের মুখে ফেললেন ট্রাম্পের দূত টম ব্যারাক

#
news image

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে মার্কিন দূত টম ব্যারাকের সাম্প্রতিক মন্তব্য। বাহরাইনে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি লেবাননের নেতাদের ‘ডাইনোসর’ আখ্যা দিয়ে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার আহ্বান জানান, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যারাকের এই মন্তব্য শুধু ইসরায়েল-লেবানন সংঘাত নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নীতির নতুন বার্তা বহন করছে। বিশেষ করে যখন ইসরায়েল নিয়মিত লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালাচ্ছে, তখন হিজবুল্লাহকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে আরও প্রকাশ্য করে তুলেছে এই বক্তব্য।

টম ব্যারাক আরও বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ “মধ্যপ্রাচ্যকে পুনর্গঠন করেছে”—যা ইঙ্গিত দেয়, ওয়াশিংটন এখন তেহরানবিরোধী অক্ষ জোরদার করতে চাইছে।

অন্যদিকে, তিনি তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, “দুই দেশ যুদ্ধ করবে না।” এটি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন সমন্বয়ের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ব্যারাকের এসব বক্তব্য ট্রাম্প প্রশাসনের ‘ইসরায়েলকেন্দ্রিক মধ্যপ্রাচ্য কৌশল’-এরই ধারাবাহিকতা। তবে এর ফলে লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও হিজবুল্লাহর অবস্থান আরও চাপে পড়তে পারে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১-১১-২০২৫ রাত ১১:১৬

news image

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে মার্কিন দূত টম ব্যারাকের সাম্প্রতিক মন্তব্য। বাহরাইনে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি লেবাননের নেতাদের ‘ডাইনোসর’ আখ্যা দিয়ে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার আহ্বান জানান, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যারাকের এই মন্তব্য শুধু ইসরায়েল-লেবানন সংঘাত নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নীতির নতুন বার্তা বহন করছে। বিশেষ করে যখন ইসরায়েল নিয়মিত লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালাচ্ছে, তখন হিজবুল্লাহকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে আরও প্রকাশ্য করে তুলেছে এই বক্তব্য।

টম ব্যারাক আরও বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ “মধ্যপ্রাচ্যকে পুনর্গঠন করেছে”—যা ইঙ্গিত দেয়, ওয়াশিংটন এখন তেহরানবিরোধী অক্ষ জোরদার করতে চাইছে।

অন্যদিকে, তিনি তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, “দুই দেশ যুদ্ধ করবে না।” এটি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন সমন্বয়ের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ব্যারাকের এসব বক্তব্য ট্রাম্প প্রশাসনের ‘ইসরায়েলকেন্দ্রিক মধ্যপ্রাচ্য কৌশল’-এরই ধারাবাহিকতা। তবে এর ফলে লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও হিজবুল্লাহর অবস্থান আরও চাপে পড়তে পারে।