শিরোনামঃ
নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ বাঞ্ছারামপুরে সুদ-সার্ভিস চার্জ ছাড়াই ১৬৮ নারীর মাঝে ৩০ লাখ টাকা বিতরণ ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী মুঘল খাবার ও সুফি সুরে আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্টে ৮ সপ্তাহের সংগীত উৎসব অনিশ্চিত ছিল এসএসসি, শুভর পাশে দাঁড়াল এবিজি ফাউন্ডেশন সাবেক তারকাদের উপস্থিতিতে জমজমাট আয়োজনে শুরু হলো এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রশংসিত আনভীর স্টেডিয়াম সরকারি পদ আর বিক্রির পণ্য নয়, চাই স্বচ্ছ পদায়নব্যবস্থা

বাঞ্ছারামপুরে সুদ-সার্ভিস চার্জ ছাড়াই ১৬৮ নারীর মাঝে ৩০ লাখ টাকা বিতরণ

#
news image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে কোনো ধরনের সুদ, সার্ভিস চার্জ ও জামানত ছাড়াই ১৬৮ জন সুবিধাবঞ্চিত নারীর মাঝে ৩০ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করেছে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন। গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের এ মানবিক উদ্যোগ গত দুই দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

উপজেলার আকানগর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত ফাউন্ডেশনের ৮৫তম ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী এবং বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম নাছিমুল হাই।

মো. চাঁনমিয়া সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের ডিজিএম মাইমুন কবির, ডেপুটি ম্যানেজার মোশাররফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগর উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত এসব নারীর প্রত্যেকের পরিবারের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেকের স্বপ্ন বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হলেও বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের সুদমুক্ত ঋণ সহায়তা তাদের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম নাছিমুল হাই বলেন, ‘চড়া সুদের ফাঁদ থেকে মুক্তি পেয়ে অসচ্ছল নারীরা আজ নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন। গ্রামীণ অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। ঋণগ্রহীতাদের প্রতি আমার অনুরোধ, এই টাকা কোনো অবৈধ কাজে না লাগিয়ে সৎ পথে বৈধ আয় বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করুন।’

বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘সুদ ও সার্ভিস চার্জমুক্ত ঋণ প্রকল্পের মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপ একটি অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শুধু ঋণ বিতরণ নয়, বরং শিক্ষাবৃত্তি, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রশিক্ষণ, সেলাই মেশিন বিতরণ এবং নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও গ্রুপটি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

ঋণ পেয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানান উপকারভোগীরা। নবীনগর উপজেলার থোল্লাকান্দি গ্রামের শিল্পী আক্তার এ অর্থ দিয়ে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে চান। একই উপজেলার বাড়াইল গ্রামের মর্জিনা আক্তার ঋণের টাকা স্বামীর কৃষিকাজে বিনিয়োগ করতে চান। অন্যদিকে, আকানগর গ্রামের গীতা রানী আগেরবারের মতো এবারও একটি গরু কিনে পরিবারের আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের আয়োজনে চারটি ধাপে ১৬৮ জন উপকারভোগীর মধ্যে মোট ৩০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৫০ জনকে ১৫ হাজার টাকা করে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ২২ জনকে ১৫ হাজার টাকা করে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা, তৃতীয় ধাপে ২১ জনকে ২০ হাজার টাকা করে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং চতুর্থ ধাপে ৭৫ জনকে ২০ হাজার টাকা করে ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

সুদ, সার্ভিস চার্জ ও জামানতবিহীন এ ঋণ কার্যক্রম গ্রামীণ নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে নতুন আশার সঞ্চার করছে।

অনলাইন ডেস্ক

৩০-১০-২০২৬ বিকাল ৭:৪৫

news image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে কোনো ধরনের সুদ, সার্ভিস চার্জ ও জামানত ছাড়াই ১৬৮ জন সুবিধাবঞ্চিত নারীর মাঝে ৩০ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করেছে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন। গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের এ মানবিক উদ্যোগ গত দুই দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

উপজেলার আকানগর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত ফাউন্ডেশনের ৮৫তম ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী এবং বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম নাছিমুল হাই।

মো. চাঁনমিয়া সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের ডিজিএম মাইমুন কবির, ডেপুটি ম্যানেজার মোশাররফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগর উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত এসব নারীর প্রত্যেকের পরিবারের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেকের স্বপ্ন বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হলেও বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের সুদমুক্ত ঋণ সহায়তা তাদের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম নাছিমুল হাই বলেন, ‘চড়া সুদের ফাঁদ থেকে মুক্তি পেয়ে অসচ্ছল নারীরা আজ নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন। গ্রামীণ অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। ঋণগ্রহীতাদের প্রতি আমার অনুরোধ, এই টাকা কোনো অবৈধ কাজে না লাগিয়ে সৎ পথে বৈধ আয় বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করুন।’

বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘সুদ ও সার্ভিস চার্জমুক্ত ঋণ প্রকল্পের মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপ একটি অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শুধু ঋণ বিতরণ নয়, বরং শিক্ষাবৃত্তি, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রশিক্ষণ, সেলাই মেশিন বিতরণ এবং নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও গ্রুপটি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

ঋণ পেয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানান উপকারভোগীরা। নবীনগর উপজেলার থোল্লাকান্দি গ্রামের শিল্পী আক্তার এ অর্থ দিয়ে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে চান। একই উপজেলার বাড়াইল গ্রামের মর্জিনা আক্তার ঋণের টাকা স্বামীর কৃষিকাজে বিনিয়োগ করতে চান। অন্যদিকে, আকানগর গ্রামের গীতা রানী আগেরবারের মতো এবারও একটি গরু কিনে পরিবারের আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের আয়োজনে চারটি ধাপে ১৬৮ জন উপকারভোগীর মধ্যে মোট ৩০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৫০ জনকে ১৫ হাজার টাকা করে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ২২ জনকে ১৫ হাজার টাকা করে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা, তৃতীয় ধাপে ২১ জনকে ২০ হাজার টাকা করে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং চতুর্থ ধাপে ৭৫ জনকে ২০ হাজার টাকা করে ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

সুদ, সার্ভিস চার্জ ও জামানতবিহীন এ ঋণ কার্যক্রম গ্রামীণ নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে নতুন আশার সঞ্চার করছে।