শিরোনামঃ
ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের হাত ধরে উন্মোচিত আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ: বাসাইল সেতু কাণ্ডে এলজিইডি কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্থানীয় সরকারের ৬৫৪৪ প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ, লক্ষ্য ৩০০ মেগাওয়াট অসহায় মানুষের ভরসাস্থল গাজীপুরের ডিসি: মানবিক বাংলাদেশ গড়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী

ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের হাত ধরে উন্মোচিত আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ

#
news image

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়ন ও উদ্যোগে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ব্রিজটি নগরবাসীর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

ব্রিজটি চালু হওয়ায় রামপুরা খালের দুই পাশের ঘনবসতিপূর্ণ আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। এর আগে খালের এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যেতে পথচারীদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হতো। এখন সরাসরি খাল পারাপারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় দুই এলাকার বাসিন্দাদের প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই ব্রিজ দুই এলাকার মানুষের যোগাযোগ সহজ করার পাশাপাশি নগর উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, “আফতাবনগর এবং বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সংযোগ স্থাপন। ব্রিজটি নির্মাণের ফলে এখন থেকে নাগরিকদের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে, যা নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। আমরা নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনা ও যানজট নিরসনে নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রশাসক আরও বলেন, শুধু পদচারী পারাপারের মধ্যেই এই উন্নয়ন সীমাবদ্ধ থাকছে না। রামপুরা খালের ওপর আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে মেট্রোরেল (এমআরটি) প্রকল্পের কাজ শুরু হলে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে যানজটের চাপ বাড়তে পারে। সে সময় নির্মিত ও প্রস্তাবিত এসব ব্রিজ বিকল্প বা ‘বাইপাস রুট’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এতে রামপুরা-বাড্ডা সংলগ্ন প্রধান সড়কের ওপর যানজটের চাপ অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।

সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও কারিগরি সহযোগিতায় এই সংযোগ ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রশাসকের সঙ্গে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের যৌথ তদারকিতে থাকা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

এ ছাড়া স্থানীয় সোসাইটির নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধিরা ডিএনসিসি প্রশাসককে অভিনন্দন জানান এবং নগরবাসীর চলাচল সহজ করতে ডিএনসিসির এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪-৯-২০২৬ বিকাল ৫:২৪

news image

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়ন ও উদ্যোগে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ব্রিজটি নগরবাসীর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

ব্রিজটি চালু হওয়ায় রামপুরা খালের দুই পাশের ঘনবসতিপূর্ণ আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। এর আগে খালের এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যেতে পথচারীদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হতো। এখন সরাসরি খাল পারাপারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় দুই এলাকার বাসিন্দাদের প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই ব্রিজ দুই এলাকার মানুষের যোগাযোগ সহজ করার পাশাপাশি নগর উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, “আফতাবনগর এবং বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সংযোগ স্থাপন। ব্রিজটি নির্মাণের ফলে এখন থেকে নাগরিকদের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে, যা নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। আমরা নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনা ও যানজট নিরসনে নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রশাসক আরও বলেন, শুধু পদচারী পারাপারের মধ্যেই এই উন্নয়ন সীমাবদ্ধ থাকছে না। রামপুরা খালের ওপর আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে মেট্রোরেল (এমআরটি) প্রকল্পের কাজ শুরু হলে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে যানজটের চাপ বাড়তে পারে। সে সময় নির্মিত ও প্রস্তাবিত এসব ব্রিজ বিকল্প বা ‘বাইপাস রুট’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এতে রামপুরা-বাড্ডা সংলগ্ন প্রধান সড়কের ওপর যানজটের চাপ অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।

সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও কারিগরি সহযোগিতায় এই সংযোগ ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রশাসকের সঙ্গে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের যৌথ তদারকিতে থাকা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

এ ছাড়া স্থানীয় সোসাইটির নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধিরা ডিএনসিসি প্রশাসককে অভিনন্দন জানান এবং নগরবাসীর চলাচল সহজ করতে ডিএনসিসির এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন