শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

ট্রাম্প কি পারবেন ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ন্ত্রণে আনতে? বলছে বিশেষজ্ঞরা

#
news image

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলা এখন তীব্র উৎপাদন সংকটে। এই বাস্তবতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ কাজে লাগানোর ঘোষণা কতটা বাস্তবসম্মত—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলার তেল শিল্প পুনরুদ্ধার করতে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পাশাপাশি অন্তত এক দশক সময় লাগতে পারে। দেশটির তেল অবকাঠামো পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত। পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কঠোর নিয়ন্ত্রক কাঠামো বড় বাধা হয়ে আছে।

ডেটা প্ল্যাটফর্ম কেপলারের বিশ্লেষক হোমায়ুন ফালাকশাহি বলেন, ভেনেজুয়েলায় তেল উত্তোলনের প্রধান বাধা আইনি ও রাজনৈতিক। স্থিতিশীল সরকার ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ছাড়া বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন।

ক্যাপিটাল ইকোনমিক্সের প্রধান অর্থনীতিবিদ নীল শিয়ারিং মনে করেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলেও বৈশ্বিক তেল বাজারে এর প্রভাব সীমিত থাকবে। কারণ বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলের ঘাটতি নেই।

এদিকে ফিনান্সিয়াল টাইমস জানায়, ট্রাম্পের ঘোষণার পর শেভরনের সাবেক প্রধান নির্বাহী ভেনেজুয়েলায় তেল প্রকল্পের জন্য ২ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে কিছু বিনিয়োগকারীর আগ্রহ দেখা গেলেও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের সার্বিক মত, ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে গেলে সময়, অর্থ ও রাজনৈতিক সমঝোতার বড় পরীক্ষা দিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে।

বিশেষ প্রতিবেদন | আন্তর্জাতিক

৬-১-২০২৬ রাত ১২:৩৭

news image

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলা এখন তীব্র উৎপাদন সংকটে। এই বাস্তবতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ কাজে লাগানোর ঘোষণা কতটা বাস্তবসম্মত—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলার তেল শিল্প পুনরুদ্ধার করতে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পাশাপাশি অন্তত এক দশক সময় লাগতে পারে। দেশটির তেল অবকাঠামো পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত। পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কঠোর নিয়ন্ত্রক কাঠামো বড় বাধা হয়ে আছে।

ডেটা প্ল্যাটফর্ম কেপলারের বিশ্লেষক হোমায়ুন ফালাকশাহি বলেন, ভেনেজুয়েলায় তেল উত্তোলনের প্রধান বাধা আইনি ও রাজনৈতিক। স্থিতিশীল সরকার ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ছাড়া বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন।

ক্যাপিটাল ইকোনমিক্সের প্রধান অর্থনীতিবিদ নীল শিয়ারিং মনে করেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলেও বৈশ্বিক তেল বাজারে এর প্রভাব সীমিত থাকবে। কারণ বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলের ঘাটতি নেই।

এদিকে ফিনান্সিয়াল টাইমস জানায়, ট্রাম্পের ঘোষণার পর শেভরনের সাবেক প্রধান নির্বাহী ভেনেজুয়েলায় তেল প্রকল্পের জন্য ২ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে কিছু বিনিয়োগকারীর আগ্রহ দেখা গেলেও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের সার্বিক মত, ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে গেলে সময়, অর্থ ও রাজনৈতিক সমঝোতার বড় পরীক্ষা দিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে।