শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

মাদুরোকে আটক: জাতিসংঘ সনদের চরম লঙ্ঘন বলছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা

#
news image

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীকভাবে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সকালে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর এই অভিযানের বৈধতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের প্রায় সবাই একমত—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত জাতিসংঘ সনদের সরাসরি পরিপন্থি। এরই মধ্যে রাশিয়া, চীন, ইরানসহ একাধিক দেশ এ ঘটনায় কড়া নিন্দা জানিয়েছে। গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তাঁর মুখপাত্র সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের হামলা বিশ্বে বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযানে ‘আত্মরক্ষা’র যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই।

ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান এবং সিয়েরা লিওনের জাতিসংঘ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিওফ্রে রবার্টসন কেসি বলেন, ভেনেজুয়েলায় এই হামলা জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল এ ধরনের আগ্রাসনকে ‘সর্বোচ্চ অপরাধ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

কিংস্টন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক আইন অধ্যাপক এলভিরা ডোমিঙ্গুয়েজ-রেডন্ডোও এই অভিযানকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে শক্তির বেআইনি ব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৫-১-২০২৬ রাত ১২:৪৫

news image

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীকভাবে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সকালে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর এই অভিযানের বৈধতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের প্রায় সবাই একমত—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত জাতিসংঘ সনদের সরাসরি পরিপন্থি। এরই মধ্যে রাশিয়া, চীন, ইরানসহ একাধিক দেশ এ ঘটনায় কড়া নিন্দা জানিয়েছে। গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তাঁর মুখপাত্র সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের হামলা বিশ্বে বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযানে ‘আত্মরক্ষা’র যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই।

ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান এবং সিয়েরা লিওনের জাতিসংঘ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিওফ্রে রবার্টসন কেসি বলেন, ভেনেজুয়েলায় এই হামলা জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল এ ধরনের আগ্রাসনকে ‘সর্বোচ্চ অপরাধ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

কিংস্টন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক আইন অধ্যাপক এলভিরা ডোমিঙ্গুয়েজ-রেডন্ডোও এই অভিযানকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে শক্তির বেআইনি ব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।