শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

ভারতে বিক্ষোভ–হামলার জেরে ভিসা কার্যক্রম বন্ধ, কূটনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ঢাকার

#
news image

ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার ও ভিসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি মূলত নিরাপত্তাজনিত সিদ্ধান্ত।

জানা গেছে, ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার ঘটনার পর ভারতের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ শুরু হয়। আসাম ও কলকাতাসহ বিভিন্ন শহরে কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিক্ষোভ করে। সোমবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ হয় এবং শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এছাড়া আসামের অন্তত ৫০টির বেশি স্থানে ‘বাঙালি পরিষদ, আসাম’-এর ব্যানারে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকাও পোড়ানো হয়।

এর আগে শনিবার রাতে দিল্লির কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করে একটি চরমপন্থী গোষ্ঠী। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একে ‘বিভ্রান্তিকর প্রচার’ বলে উল্লেখ করেন। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ওই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এসব ঘটনায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক বিধি অনুযায়ী পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

২২-১২-২০২৫ রাত ১১:১৯

news image

ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার ও ভিসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি মূলত নিরাপত্তাজনিত সিদ্ধান্ত।

জানা গেছে, ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার ঘটনার পর ভারতের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ শুরু হয়। আসাম ও কলকাতাসহ বিভিন্ন শহরে কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিক্ষোভ করে। সোমবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ হয় এবং শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এছাড়া আসামের অন্তত ৫০টির বেশি স্থানে ‘বাঙালি পরিষদ, আসাম’-এর ব্যানারে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকাও পোড়ানো হয়।

এর আগে শনিবার রাতে দিল্লির কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করে একটি চরমপন্থী গোষ্ঠী। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একে ‘বিভ্রান্তিকর প্রচার’ বলে উল্লেখ করেন। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ওই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এসব ঘটনায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক বিধি অনুযায়ী পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।