প্রতিহিংসামূলক' মামলায় আটক চার সাংবাদিক: মুক্তির আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে সিপিজের চিঠি
বিজ্ঞপ্তি
৯-১২-২০২৫ রাত ১০:৫৩
প্রতিহিংসামূলক' মামলায় আটক চার সাংবাদিক: মুক্তির আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে সিপিজের চিঠি
কারাবন্দি চার বাংলাদেশি সাংবাদিকের মুক্তির জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সংস্থাটি ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু এবং শ্যামল দত্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে 'প্রতিহিংসামূলক' হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছে, সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণেই তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আগামী ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসকে সামনে রেখে গত সোমবার (৯ ডিসেম্বর) নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থাটি ই-মেইলে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর এই চিঠি পাঠায়।
সিপিজে তাদের চিঠিতে কারাবন্দি সাংবাদিকদের পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের 'অমানবিক' পরিবেশের কথা তুলে ধরেছে। চিঠিতে বলা হয়, এই সাংবাদিকদের ৩৬ বর্গফুটের একটি সেলে রাখা হয়েছে, যেখানে দরজার বদলে লোহার শিক থাকায় তারা তীব্র শীত ও মশার উপদ্রব মোকাবিলা করছেন। কোনো তোশক ছাড়াই কংক্রিটের মেঝেতে তাদের ঘুমাতে হয়। অভিযোগ করা হয়েছে, তারা পর্যাপ্ত খাবার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, ড. ইউনূস ২০২৪ সালের নভেম্বরে দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি করে হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি স্বীকার করে তা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে সিপিজে জানায়, গত বছরের ৮ আগস্ট ড. ইউনূস দায়িত্ব নেওয়ার পরও এই চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নতুন করে হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের জামিনের আবেদন বারবার নাকচ করা হয়েছে।
এ ছাড়া, কারাবন্দি সাংবাদিকদের আইনজীবী জেড আই খান পান্নার বিরুদ্ধে সম্প্রতি হত্যা মামলা দায়েরের ঘটনাতেও সিপিজে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সংস্থাটি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ এবং ইন্টারন্যাশনাল কভেনেন্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটস (আইসিসিপিআর)-এর অধীনে স্বীকৃত বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। সিপিজে আশা প্রকাশ করে, ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে সরকার কারাবন্দি সব সাংবাদিককে মুক্তি দিয়ে তাদের পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে ফেরার সুযোগ দেবে।
এদিকে, একই বিষয়ে সিপিজে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এশিয়া মহাদেশের বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, কম্বোডিয়া ও ফিলিপাইনের সরকারকে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সিপিজের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে আটক সাংবাদিকদের ৩০ শতাংশের বেশি এশিয়ার। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ অঞ্চলে চীন (৫০ জন), মিয়ানমার (২৭ জন) ও ভিয়েতনাম (১৬ জন)-সহ অন্তত ১০৬ জন সাংবাদিক কারাগারে বন্দি আছেন।
বিজ্ঞপ্তি
৯-১২-২০২৫ রাত ১০:৫৩
কারাবন্দি চার বাংলাদেশি সাংবাদিকের মুক্তির জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সংস্থাটি ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু এবং শ্যামল দত্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে 'প্রতিহিংসামূলক' হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছে, সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণেই তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আগামী ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসকে সামনে রেখে গত সোমবার (৯ ডিসেম্বর) নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থাটি ই-মেইলে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর এই চিঠি পাঠায়।
সিপিজে তাদের চিঠিতে কারাবন্দি সাংবাদিকদের পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের 'অমানবিক' পরিবেশের কথা তুলে ধরেছে। চিঠিতে বলা হয়, এই সাংবাদিকদের ৩৬ বর্গফুটের একটি সেলে রাখা হয়েছে, যেখানে দরজার বদলে লোহার শিক থাকায় তারা তীব্র শীত ও মশার উপদ্রব মোকাবিলা করছেন। কোনো তোশক ছাড়াই কংক্রিটের মেঝেতে তাদের ঘুমাতে হয়। অভিযোগ করা হয়েছে, তারা পর্যাপ্ত খাবার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, ড. ইউনূস ২০২৪ সালের নভেম্বরে দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি করে হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি স্বীকার করে তা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে সিপিজে জানায়, গত বছরের ৮ আগস্ট ড. ইউনূস দায়িত্ব নেওয়ার পরও এই চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নতুন করে হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের জামিনের আবেদন বারবার নাকচ করা হয়েছে।
এ ছাড়া, কারাবন্দি সাংবাদিকদের আইনজীবী জেড আই খান পান্নার বিরুদ্ধে সম্প্রতি হত্যা মামলা দায়েরের ঘটনাতেও সিপিজে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সংস্থাটি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ এবং ইন্টারন্যাশনাল কভেনেন্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটস (আইসিসিপিআর)-এর অধীনে স্বীকৃত বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। সিপিজে আশা প্রকাশ করে, ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে সরকার কারাবন্দি সব সাংবাদিককে মুক্তি দিয়ে তাদের পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে ফেরার সুযোগ দেবে।
এদিকে, একই বিষয়ে সিপিজে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এশিয়া মহাদেশের বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, আফগানিস্তান, কম্বোডিয়া ও ফিলিপাইনের সরকারকে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সিপিজের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে আটক সাংবাদিকদের ৩০ শতাংশের বেশি এশিয়ার। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ অঞ্চলে চীন (৫০ জন), মিয়ানমার (২৭ জন) ও ভিয়েতনাম (১৬ জন)-সহ অন্তত ১০৬ জন সাংবাদিক কারাগারে বন্দি আছেন।