শিরোনামঃ
বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পেলেন ২০ নারী আইসিসিবিতে সুপার সেল কার বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতার সাড়ায় সময় বাড়ল বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান ক্লাব ও চট্টগ্রাম ক্লাবের ক্রীড়া উৎসব বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া অভিবাসন নীতি: আবারও ফেরত ৩১ বাংলাদেশি, মাইগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

#
news image

যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায় ফেরার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান নতুন মাত্রা পেয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে আরও ৩১ বাংলাদেশিকে। সামরিক বিমানেই তাদের পাঠানো হয়েছে, এবং তারা অধিকাংশ সময়ই ছিলেন হাতকড়া ও শেকলের মধ্যে—যা নিয়ে মানবাধিকার সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ বাড়ছে।

চলতি বছরই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্তত ২২৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হলো। শুধু নভেম্বরেই একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৩৯ জন এবং জুনে আরেক ফ্লাইটে ৪২ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় ফেরানো হয়েছে আরও ৩৪ জনকে।

মাইগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রাজিল–মেক্সিকো রুট এখন অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ পথ। ফেরত আসা ৩১ জনের মধ্যে কমপক্ষে ৭ জন বৈধ ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিলে গেলেও শেষ পর্যন্ত দালালের মাধ্যমে বিপদজনক পথে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এতে একেকজনের ব্যয় হয়েছে ৩০–৩৫ লাখ টাকা। শেষে হাতকড়া–শেকল পরা অবস্থায় দেশে ফেরা—এ যেন দালাল ও প্রতারক চক্রের কাছে অসহায়ত্বের চূড়ান্ত নিদর্শন।

ব্র্যাকের কর্মকর্তা শরিফুল হাসান বলেন, নতুন করে ব্রাজিলে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার আগে সরকারকে সতর্ক হতে হবে। “যারা কাজের নামে মানুষ পাঠাচ্ছে এবং যারা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত, তাদের সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।”

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সামরিক ও চার্টার্ড ফ্লাইট ব্যবহার করছে। আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হলে আইসিই সরাসরি দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

সবশেষ ফেরত আসা বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা—৬০ ঘণ্টা হাতকড়া–শেকল পরা—মাইগ্রেশন নীতির মানবাধিকার মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

৯-১২-২০২৫ রাত ১২:১১

news image

যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায় ফেরার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান নতুন মাত্রা পেয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে আরও ৩১ বাংলাদেশিকে। সামরিক বিমানেই তাদের পাঠানো হয়েছে, এবং তারা অধিকাংশ সময়ই ছিলেন হাতকড়া ও শেকলের মধ্যে—যা নিয়ে মানবাধিকার সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ বাড়ছে।

চলতি বছরই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্তত ২২৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হলো। শুধু নভেম্বরেই একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৩৯ জন এবং জুনে আরেক ফ্লাইটে ৪২ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় ফেরানো হয়েছে আরও ৩৪ জনকে।

মাইগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রাজিল–মেক্সিকো রুট এখন অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ পথ। ফেরত আসা ৩১ জনের মধ্যে কমপক্ষে ৭ জন বৈধ ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিলে গেলেও শেষ পর্যন্ত দালালের মাধ্যমে বিপদজনক পথে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এতে একেকজনের ব্যয় হয়েছে ৩০–৩৫ লাখ টাকা। শেষে হাতকড়া–শেকল পরা অবস্থায় দেশে ফেরা—এ যেন দালাল ও প্রতারক চক্রের কাছে অসহায়ত্বের চূড়ান্ত নিদর্শন।

ব্র্যাকের কর্মকর্তা শরিফুল হাসান বলেন, নতুন করে ব্রাজিলে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার আগে সরকারকে সতর্ক হতে হবে। “যারা কাজের নামে মানুষ পাঠাচ্ছে এবং যারা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত, তাদের সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।”

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সামরিক ও চার্টার্ড ফ্লাইট ব্যবহার করছে। আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হলে আইসিই সরাসরি দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

সবশেষ ফেরত আসা বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা—৬০ ঘণ্টা হাতকড়া–শেকল পরা—মাইগ্রেশন নীতির মানবাধিকার মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।