শিরোনামঃ
সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ও বিভিন্ন দেশের রুলিং ও সংসদীয় রীতিনীতি অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর অভিযোগ, ভাটারা থানায় জিডি মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত ‘কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, সব খুঁজে বের করতে হবে’ সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে প্রথম শর্ত আইনের শাসন ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে? চিকিৎসা কষ্টে থাকা কাঙালিনী সুফিয়ার দায়িত্ব নিল আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমার শঙ্কা, ক্ষতির মুখে সংশ্লিষ্ট শিল্প

ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া অভিবাসন নীতি: আবারও ফেরত ৩১ বাংলাদেশি, মাইগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

#
news image

যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায় ফেরার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান নতুন মাত্রা পেয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে আরও ৩১ বাংলাদেশিকে। সামরিক বিমানেই তাদের পাঠানো হয়েছে, এবং তারা অধিকাংশ সময়ই ছিলেন হাতকড়া ও শেকলের মধ্যে—যা নিয়ে মানবাধিকার সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ বাড়ছে।

চলতি বছরই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্তত ২২৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হলো। শুধু নভেম্বরেই একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৩৯ জন এবং জুনে আরেক ফ্লাইটে ৪২ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় ফেরানো হয়েছে আরও ৩৪ জনকে।

মাইগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রাজিল–মেক্সিকো রুট এখন অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ পথ। ফেরত আসা ৩১ জনের মধ্যে কমপক্ষে ৭ জন বৈধ ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিলে গেলেও শেষ পর্যন্ত দালালের মাধ্যমে বিপদজনক পথে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এতে একেকজনের ব্যয় হয়েছে ৩০–৩৫ লাখ টাকা। শেষে হাতকড়া–শেকল পরা অবস্থায় দেশে ফেরা—এ যেন দালাল ও প্রতারক চক্রের কাছে অসহায়ত্বের চূড়ান্ত নিদর্শন।

ব্র্যাকের কর্মকর্তা শরিফুল হাসান বলেন, নতুন করে ব্রাজিলে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার আগে সরকারকে সতর্ক হতে হবে। “যারা কাজের নামে মানুষ পাঠাচ্ছে এবং যারা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত, তাদের সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।”

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সামরিক ও চার্টার্ড ফ্লাইট ব্যবহার করছে। আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হলে আইসিই সরাসরি দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

সবশেষ ফেরত আসা বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা—৬০ ঘণ্টা হাতকড়া–শেকল পরা—মাইগ্রেশন নীতির মানবাধিকার মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

৯-১২-২০২৫ রাত ১২:১১

news image

যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায় ফেরার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান নতুন মাত্রা পেয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে আরও ৩১ বাংলাদেশিকে। সামরিক বিমানেই তাদের পাঠানো হয়েছে, এবং তারা অধিকাংশ সময়ই ছিলেন হাতকড়া ও শেকলের মধ্যে—যা নিয়ে মানবাধিকার সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ বাড়ছে।

চলতি বছরই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্তত ২২৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হলো। শুধু নভেম্বরেই একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৩৯ জন এবং জুনে আরেক ফ্লাইটে ৪২ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় ফেরানো হয়েছে আরও ৩৪ জনকে।

মাইগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রাজিল–মেক্সিকো রুট এখন অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ পথ। ফেরত আসা ৩১ জনের মধ্যে কমপক্ষে ৭ জন বৈধ ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিলে গেলেও শেষ পর্যন্ত দালালের মাধ্যমে বিপদজনক পথে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এতে একেকজনের ব্যয় হয়েছে ৩০–৩৫ লাখ টাকা। শেষে হাতকড়া–শেকল পরা অবস্থায় দেশে ফেরা—এ যেন দালাল ও প্রতারক চক্রের কাছে অসহায়ত্বের চূড়ান্ত নিদর্শন।

ব্র্যাকের কর্মকর্তা শরিফুল হাসান বলেন, নতুন করে ব্রাজিলে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার আগে সরকারকে সতর্ক হতে হবে। “যারা কাজের নামে মানুষ পাঠাচ্ছে এবং যারা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত, তাদের সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।”

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সামরিক ও চার্টার্ড ফ্লাইট ব্যবহার করছে। আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হলে আইসিই সরাসরি দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

সবশেষ ফেরত আসা বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা—৬০ ঘণ্টা হাতকড়া–শেকল পরা—মাইগ্রেশন নীতির মানবাধিকার মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।