শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা

#
news image

স্বাস্থ্য খাতের একটি বড় সরকারি প্রকল্পে আসবাবপত্র সরবরাহের কাজ না পাওয়াকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, একটি আসবাবপত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান দরপত্রে ব্যর্থ হওয়ার পর কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল উন্নয়ন প্রকল্পের আসবাবপত্র ক্রয়ের কার্যক্রম গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR) অনুসরণ করে সম্পন্ন হচ্ছে। দরপত্রে অংশ নেওয়া ‘হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেড’ আটটি লটে অংশগ্রহণ করলেও কারিগরি মূল্যায়ন ও বিধিমালা অনুযায়ী কোনো লটেই নির্বাচিত হতে পারেনি বলে দাবি করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ৮ জুন প্রতিষ্ঠানটি গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি অভিযোগ দাখিল করলেও সেখানে দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। পরবর্তীতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ক্রয়প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি বলেও সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।

এদিকে জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের মতে, বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তাদের পদোন্নতির গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এমন সময়ে নাফরিজা শ্যামার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার ঘটনাকে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের পরিকল্পিত অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, উদ্দেশ্য হলো একজন দক্ষ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং তার পদোন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করা।

সংশ্লিষ্টদের আরও অভিযোগ, অতীতে সুবিধাভোগী কিছু কর্মকর্তা এবং কাজ না পাওয়া ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একটি অংশ এই অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গেলে প্রায়ই বিভিন্ন সিন্ডিকেটের চাপের মুখে পড়তে হয়। নিয়ম অনুসারে কাজ না পেলে কিছু প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা চরিত্রহননের চেষ্টা করে থাকে। নাফরিজা শ্যামার ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করা এবং কর্মকর্তাদের মানহানির অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, দায়িত্বশীল ও সৎ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার রোধে সরকারকে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হবে, যাতে কোনো অসাধু চক্র প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে না পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭-৬-২০২৬ বিকাল ৫:৩৫

news image

স্বাস্থ্য খাতের একটি বড় সরকারি প্রকল্পে আসবাবপত্র সরবরাহের কাজ না পাওয়াকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, একটি আসবাবপত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান দরপত্রে ব্যর্থ হওয়ার পর কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল উন্নয়ন প্রকল্পের আসবাবপত্র ক্রয়ের কার্যক্রম গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR) অনুসরণ করে সম্পন্ন হচ্ছে। দরপত্রে অংশ নেওয়া ‘হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেড’ আটটি লটে অংশগ্রহণ করলেও কারিগরি মূল্যায়ন ও বিধিমালা অনুযায়ী কোনো লটেই নির্বাচিত হতে পারেনি বলে দাবি করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ৮ জুন প্রতিষ্ঠানটি গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি অভিযোগ দাখিল করলেও সেখানে দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। পরবর্তীতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ক্রয়প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি বলেও সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।

এদিকে জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের মতে, বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তাদের পদোন্নতির গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এমন সময়ে নাফরিজা শ্যামার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার ঘটনাকে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের পরিকল্পিত অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, উদ্দেশ্য হলো একজন দক্ষ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং তার পদোন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করা।

সংশ্লিষ্টদের আরও অভিযোগ, অতীতে সুবিধাভোগী কিছু কর্মকর্তা এবং কাজ না পাওয়া ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একটি অংশ এই অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গেলে প্রায়ই বিভিন্ন সিন্ডিকেটের চাপের মুখে পড়তে হয়। নিয়ম অনুসারে কাজ না পেলে কিছু প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা চরিত্রহননের চেষ্টা করে থাকে। নাফরিজা শ্যামার ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করা এবং কর্মকর্তাদের মানহানির অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, দায়িত্বশীল ও সৎ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার রোধে সরকারকে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হবে, যাতে কোনো অসাধু চক্র প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে না পারে।