শিরোনামঃ
সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করা নেতাদের দলে ঠাঁই হবে না : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের হাত ধরে উন্মোচিত আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ: বাসাইল সেতু কাণ্ডে এলজিইডি কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

গণতন্ত্রই পথ, শিরিকে নয় মত—তারেকের কড়া বার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে

#
news image

রাজনীতির অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে যে ধর্মীয় ‘টিকিট-বাণিজ্য’ ও ‘কনফার্মেশন’-এর আলোচনা চলছে, তাকে সরাসরি ‘শিরিক’ বলে চিহ্নিত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার বক্তব্যে স্পষ্ট—ধর্মীয় প্রতিশ্রুতি বেচাকেনা শুধু বিভ্রান্তি নয়, রাজনৈতিকভাবে বিপজ্জনকও।

তারেক রহমানের মন্তব্য রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন—“যেটা একমাত্র আল্লাহর এখতিয়ার, তা মানুষ দিতে পারে না। এ দাবি করা শিরিকের পর্যায়ে পড়ে।”
বিএনপির ভেতরে বার্তা ছিল আরও কঠোর—নেতাকর্মীদের জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে এই বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, আসন্ন কঠিন সময় এবং ইসলামী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর পুনর্গঠনের মধ্যে তারেকের বক্তব্য নতুন ধরনের রাজনৈতিক অবস্থান নির্দেশ করছে।

তারেক বলেন, দেশের দুই বড় সংকট—দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা—এখন নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে অর্থনীতি, শিক্ষা, কৃষি ও নারীর অগ্রগতিসহ প্রতিটি খাত বাধাগ্রস্ত হবে।

বিএনপির ‘স্বাবলম্বী বাংলাদেশ’ ধারণা তুলে ধরে তিনি বলেন—“আমরা সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, চাই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কর্মসংস্থানসমৃদ্ধ বাংলাদেশ।”

সভায় বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরও অভিযোগ করেন—ধর্মের নামে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা চলছে, যা ১৯৭১-এর চেতনার বিপরীত।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:১২

news image

রাজনীতির অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে যে ধর্মীয় ‘টিকিট-বাণিজ্য’ ও ‘কনফার্মেশন’-এর আলোচনা চলছে, তাকে সরাসরি ‘শিরিক’ বলে চিহ্নিত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার বক্তব্যে স্পষ্ট—ধর্মীয় প্রতিশ্রুতি বেচাকেনা শুধু বিভ্রান্তি নয়, রাজনৈতিকভাবে বিপজ্জনকও।

তারেক রহমানের মন্তব্য রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন—“যেটা একমাত্র আল্লাহর এখতিয়ার, তা মানুষ দিতে পারে না। এ দাবি করা শিরিকের পর্যায়ে পড়ে।”
বিএনপির ভেতরে বার্তা ছিল আরও কঠোর—নেতাকর্মীদের জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে এই বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, আসন্ন কঠিন সময় এবং ইসলামী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর পুনর্গঠনের মধ্যে তারেকের বক্তব্য নতুন ধরনের রাজনৈতিক অবস্থান নির্দেশ করছে।

তারেক বলেন, দেশের দুই বড় সংকট—দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা—এখন নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে অর্থনীতি, শিক্ষা, কৃষি ও নারীর অগ্রগতিসহ প্রতিটি খাত বাধাগ্রস্ত হবে।

বিএনপির ‘স্বাবলম্বী বাংলাদেশ’ ধারণা তুলে ধরে তিনি বলেন—“আমরা সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, চাই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কর্মসংস্থানসমৃদ্ধ বাংলাদেশ।”

সভায় বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরও অভিযোগ করেন—ধর্মের নামে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা চলছে, যা ১৯৭১-এর চেতনার বিপরীত।