শিরোনামঃ
বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পেলেন ২০ নারী আইসিসিবিতে সুপার সেল কার বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতার সাড়ায় সময় বাড়ল বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান ক্লাব ও চট্টগ্রাম ক্লাবের ক্রীড়া উৎসব বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

ঋণের ফাঁদে ‘দুই হাজার কোটি’, এস আলম–বিতর্ক নতুন আলোচনায়

#
news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:৭

news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।