শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

ঋণের ফাঁদে ‘দুই হাজার কোটি’, এস আলম–বিতর্ক নতুন আলোচনায়

#
news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:৭

news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।