শিরোনামঃ
কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির

ঋণের ফাঁদে ‘দুই হাজার কোটি’, এস আলম–বিতর্ক নতুন আলোচনায়

#
news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:৭

news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।