শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

ঋণের ফাঁদে ‘দুই হাজার কোটি’, এস আলম–বিতর্ক নতুন আলোচনায়

#
news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:৭

news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।