শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

রাফাহে নতুন উত্তেজনা, যুদ্ধবিরতি টলমল—গাজায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা

#
news image

 

গাজায় আগ্রাসন কি আবার নতুন মাত্রায় পৌঁছাতে যাচ্ছে? ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি সেই উদ্বেগই আরও জোরালো করেছে।

বুধবারের হামলার পর ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের পাঁচ সেনা আহত হয়েছে। পাল্টা হামলায় পাঁচ ফিলিস্তিনির মৃত্যু—যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। হামলাটি হয়েছে আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে, যা ইসরায়েল আগে ‘সেফ জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপদ এলাকায় হামলা যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পরও শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ায় মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়ানো এখন গাজা সংকটকে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়গুলোর একটি হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হামাসের ‘চুক্তির প্রতি আনুগত্য’ এবং ইসরায়েলের ‘অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা’—দুই পক্ষের বিপরীত অবস্থান যুদ্ধবিরতি কোনোভাবেই টেকসই হতে দিচ্ছে না। ইসরায়েলের দাবি—বন্দি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। অন্যদিকে হামাস বলছে—তাদের ওপর আক্রমণ বন্ধ হলেই তারা সমন্বিত প্রক্রিয়ায় যেতে প্রস্তুত।

মধ্যস্থতাকারীরা এখন রাফাহ ক্রসিং খোলার বিষয়টি আলোচনায় রেখেছেন। কারণ সীমান্ত খোলা না গেলে মানবিক সহায়তা, আহত রোগী স্থানান্তর—সবই বাধাগ্রস্ত হবে।

বিশ্লেষণ বলছে, কাৎজের ‘অভিযান আরও দৃঢ় হবে’ মন্তব্য যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৫-১২-২০২৫ রাত ১২:১০

news image

 

গাজায় আগ্রাসন কি আবার নতুন মাত্রায় পৌঁছাতে যাচ্ছে? ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি সেই উদ্বেগই আরও জোরালো করেছে।

বুধবারের হামলার পর ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের পাঁচ সেনা আহত হয়েছে। পাল্টা হামলায় পাঁচ ফিলিস্তিনির মৃত্যু—যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। হামলাটি হয়েছে আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে, যা ইসরায়েল আগে ‘সেফ জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপদ এলাকায় হামলা যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পরও শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ায় মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়ানো এখন গাজা সংকটকে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়গুলোর একটি হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হামাসের ‘চুক্তির প্রতি আনুগত্য’ এবং ইসরায়েলের ‘অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা’—দুই পক্ষের বিপরীত অবস্থান যুদ্ধবিরতি কোনোভাবেই টেকসই হতে দিচ্ছে না। ইসরায়েলের দাবি—বন্দি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। অন্যদিকে হামাস বলছে—তাদের ওপর আক্রমণ বন্ধ হলেই তারা সমন্বিত প্রক্রিয়ায় যেতে প্রস্তুত।

মধ্যস্থতাকারীরা এখন রাফাহ ক্রসিং খোলার বিষয়টি আলোচনায় রেখেছেন। কারণ সীমান্ত খোলা না গেলে মানবিক সহায়তা, আহত রোগী স্থানান্তর—সবই বাধাগ্রস্ত হবে।

বিশ্লেষণ বলছে, কাৎজের ‘অভিযান আরও দৃঢ় হবে’ মন্তব্য যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।