মান্নার বক্তব্যে নির্বাচনী বাস্তবতা-বিরোধী শিবিরে চাপ, মাঠে নতুন সমীকরণ
বিশেষ প্রতিনিধি
৫-১২-২০২৫ রাত ১২:২
মান্নার বক্তব্যে নির্বাচনী বাস্তবতা-বিরোধী শিবিরে চাপ, মাঠে নতুন সমীকরণ
গণতন্ত্র মঞ্চের আলোচনায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার বক্তব্য আবারও নির্বাচনী রাজনীতিকে সরগরম করেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন-“নির্বাচন ছাড়া বিকল্প নেই।”
বিরোধী রাজনীতির ভেতরে বর্তমানে যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা যাচ্ছে, মান্নার বক্তব্য সেই বাস্তবতাকেই সামনে আনে।
কেন মান্নার বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ?
১) বিএনপির সঙ্গে গণতন্ত্র মঞ্চের কৌশলগত দূরত্ব বেড়েছে।
২) বিএনপি নিজের মতো প্রার্থী ঘোষণা করায় জোটরাজনীতির ঐক্য হুমকিতে।
৩) মাঠের রাজনীতি ও জনগণের মনোভাবকে মান্না প্রাধান্য দিচ্ছেন-যা বিরোধী রাজনীতিতে “রুট-লেভেল রিয়েলিটি চেক” তৈরি করছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা কয়টা সিট পাবো, এটা ভাবার আগে জনগণ নির্বাচন কীভাবে দেখছে, সেটা বুঝতে হবে।”
এ বক্তব্য প্রমাণ করে, গণতন্ত্র মঞ্চ এখন আসন-সমীকরণের চেয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাস্তবতাকে বড় করে দেখছে।
খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও রাজনৈতিক প্রভাব
বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। মান্না মনে করছেন, পরিস্থিতি আরো খারাপ হলে সময় নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
যা বর্তমান রাজনৈতিক গতিশীলতায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতের ভূমিকা: মান্নার ভিন্ন ইঙ্গিত
তিনি উল্লেখ করেছেন, শেখ হাসিনার রায়ের পর ভারত আগের মতো দৃঢ় অবস্থান নেয়নি।
এ বিশ্লেষণ রাজনৈতিক মহলে নতুন ব্যাখ্যার জন্ম দিয়েছে- ভারত কি এখন “অপেক্ষা-পর্যবেক্ষণ” নীতি নিয়েছে?
যদি তা হয়, বিরোধী রাজনীতির জন্য এটি বড় সুযোগ।
গণতন্ত্র মঞ্চের প্রস্তুতি-অন্যরকম বার্তা
সাইফুল হক জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে ১৩৮ জনের প্রার্থী ঘোষণা করেছেন এবং ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুত।
এটি স্পষ্টভাবে দেখায়- গণতন্ত্র মঞ্চ এবার আর “সহজ–জোটভিত্তিক” রাজনীতিতে যেতে চায় না; বরং স্বাধীন সত্তায় মাঠে নামছে।
জোনায়েদ সাকি আরও পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন- নির্বাচন না হলে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতি আরও বিপদে পড়বে।
সামগ্রিক বিশ্লেষণ
মান্নার বক্তব্য, সাইফুল হক ও সাকির মন্তব্য-সব মিলিয়ে তিনটি বার্তা স্পষ্ট:
বিরোধী রাজনীতিতে ঐক্য নেই, তবে নির্বাচন অনিবার্য।
বিএনপির অবস্থান অনিশ্চিত হলেও গণতন্ত্র মঞ্চ স্বাধীনভাবে এগোচ্ছে।
রাজনীতি-সংস্কার–অর্থনীতি- এই তিন ক্ষেত্রেই নির্বাচনের চাপ বাড়ছে।
বিশেষ প্রতিনিধি
৫-১২-২০২৫ রাত ১২:২
গণতন্ত্র মঞ্চের আলোচনায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার বক্তব্য আবারও নির্বাচনী রাজনীতিকে সরগরম করেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন-“নির্বাচন ছাড়া বিকল্প নেই।”
বিরোধী রাজনীতির ভেতরে বর্তমানে যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা যাচ্ছে, মান্নার বক্তব্য সেই বাস্তবতাকেই সামনে আনে।
কেন মান্নার বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ?
১) বিএনপির সঙ্গে গণতন্ত্র মঞ্চের কৌশলগত দূরত্ব বেড়েছে।
২) বিএনপি নিজের মতো প্রার্থী ঘোষণা করায় জোটরাজনীতির ঐক্য হুমকিতে।
৩) মাঠের রাজনীতি ও জনগণের মনোভাবকে মান্না প্রাধান্য দিচ্ছেন-যা বিরোধী রাজনীতিতে “রুট-লেভেল রিয়েলিটি চেক” তৈরি করছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা কয়টা সিট পাবো, এটা ভাবার আগে জনগণ নির্বাচন কীভাবে দেখছে, সেটা বুঝতে হবে।”
এ বক্তব্য প্রমাণ করে, গণতন্ত্র মঞ্চ এখন আসন-সমীকরণের চেয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাস্তবতাকে বড় করে দেখছে।
খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও রাজনৈতিক প্রভাব
বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। মান্না মনে করছেন, পরিস্থিতি আরো খারাপ হলে সময় নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
যা বর্তমান রাজনৈতিক গতিশীলতায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতের ভূমিকা: মান্নার ভিন্ন ইঙ্গিত
তিনি উল্লেখ করেছেন, শেখ হাসিনার রায়ের পর ভারত আগের মতো দৃঢ় অবস্থান নেয়নি।
এ বিশ্লেষণ রাজনৈতিক মহলে নতুন ব্যাখ্যার জন্ম দিয়েছে- ভারত কি এখন “অপেক্ষা-পর্যবেক্ষণ” নীতি নিয়েছে?
যদি তা হয়, বিরোধী রাজনীতির জন্য এটি বড় সুযোগ।
গণতন্ত্র মঞ্চের প্রস্তুতি-অন্যরকম বার্তা
সাইফুল হক জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে ১৩৮ জনের প্রার্থী ঘোষণা করেছেন এবং ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুত।
এটি স্পষ্টভাবে দেখায়- গণতন্ত্র মঞ্চ এবার আর “সহজ–জোটভিত্তিক” রাজনীতিতে যেতে চায় না; বরং স্বাধীন সত্তায় মাঠে নামছে।
জোনায়েদ সাকি আরও পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন- নির্বাচন না হলে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতি আরও বিপদে পড়বে।
সামগ্রিক বিশ্লেষণ
মান্নার বক্তব্য, সাইফুল হক ও সাকির মন্তব্য-সব মিলিয়ে তিনটি বার্তা স্পষ্ট:
বিরোধী রাজনীতিতে ঐক্য নেই, তবে নির্বাচন অনিবার্য।
বিএনপির অবস্থান অনিশ্চিত হলেও গণতন্ত্র মঞ্চ স্বাধীনভাবে এগোচ্ছে।
রাজনীতি-সংস্কার–অর্থনীতি- এই তিন ক্ষেত্রেই নির্বাচনের চাপ বাড়ছে।