শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

রেজা কিবরিয়ার প্রত্যাবর্তন, সিনিয়রদের পুনঃমনোনয়ন- বিএনপির তালিকায় হিসাব-নিকাশের ইঙ্গিত

#
news image

বিএনপি একদিনে আরও ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে নতুন বার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে হবিগঞ্জ–১ আসনে রেজা কিবরিয়ার মনোনয়ন দলীয় কৌশলের বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর তিনি বিএনপির টিকিট পেলেন—এটিকে অনেকে ‘রিফ্রেশড ফ্রন্টলাইনার’ তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

তালিকায় নজরকাড়া আরও একটি বিষয়- বয়স, সক্রিয়তা ও মাঠ–পরিস্থিতি উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশাকে পুনরায় মনোনয়ন। তিনি ১৭ বছর সক্রিয় না থাকলেও টিকিট পেয়েছেন, যা তৃণমূলে প্রশ্ন তুলেছে।

অন্যদিকে সিলেট–৪ আসনে আলোচনার অবসান ঘটিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীকে প্রার্থী ঘোষণা দলীয় মেরুকরণ কমানোর ইঙ্গিত দেয়।
ঢাকা–১৮ আসনে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধর বদলে এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন দেওয়া- মহানগর উত্তর বিএনপির সংগঠন ধরে রাখার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন- বিএনপির মোট ২৭২ আসনের প্রার্থী তালিকাের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে, দলটি একদিকে নতুন ভাবমূর্তি তৈরিতে আগ্রহী, অন্যদিকে অভিজ্ঞ ও বিতর্কিত নেতাদেরও জায়গা দিয়ে ভারসাম্য রাখছে।

দলটি এখনো ২৮টি আসন ঘোষণা করেনি। এসব আসনে জোটমিত্রদের সমন্বয় ও কৌশলগত আসন পরিবর্তনের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা রাজনৈতিকভাবে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

তানভীর সানি

৪-১২-২০২৫ রাত ১১:৫৬

news image

বিএনপি একদিনে আরও ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে নতুন বার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে হবিগঞ্জ–১ আসনে রেজা কিবরিয়ার মনোনয়ন দলীয় কৌশলের বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর তিনি বিএনপির টিকিট পেলেন—এটিকে অনেকে ‘রিফ্রেশড ফ্রন্টলাইনার’ তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

তালিকায় নজরকাড়া আরও একটি বিষয়- বয়স, সক্রিয়তা ও মাঠ–পরিস্থিতি উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশাকে পুনরায় মনোনয়ন। তিনি ১৭ বছর সক্রিয় না থাকলেও টিকিট পেয়েছেন, যা তৃণমূলে প্রশ্ন তুলেছে।

অন্যদিকে সিলেট–৪ আসনে আলোচনার অবসান ঘটিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীকে প্রার্থী ঘোষণা দলীয় মেরুকরণ কমানোর ইঙ্গিত দেয়।
ঢাকা–১৮ আসনে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধর বদলে এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন দেওয়া- মহানগর উত্তর বিএনপির সংগঠন ধরে রাখার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন- বিএনপির মোট ২৭২ আসনের প্রার্থী তালিকাের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে, দলটি একদিকে নতুন ভাবমূর্তি তৈরিতে আগ্রহী, অন্যদিকে অভিজ্ঞ ও বিতর্কিত নেতাদেরও জায়গা দিয়ে ভারসাম্য রাখছে।

দলটি এখনো ২৮টি আসন ঘোষণা করেনি। এসব আসনে জোটমিত্রদের সমন্বয় ও কৌশলগত আসন পরিবর্তনের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা রাজনৈতিকভাবে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।