শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

বিপিএলের নিলাম শেষে এনসিএলে ঝলক: দল না পাওয়া ব্যাটাররা সেঞ্চুরিতে, আলোচনায় বৈপরীত্য

#
news image

বিপিএলের নিলাম শেষ হয়েছে মাত্র একদিন আগে। কে কত দামে বিক্রি হলেন—সেটি ছিল দিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এনসিএলের মাঠ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। যারা বিপিএলে দল পাননি, তারাই প্রথম আলো ছড়ালেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

সিলেটে সেঞ্চুরি করলেন দুই অনালোচিত ব্যাটার—অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। আগের দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন চট্টগ্রামের জিল্লুর রহমান বিজয়। তিনজনই বিপিএলের নিলামে দল পাননি।

অন্যদিকে যারা উচ্চমূল্যে দল পেয়েছেন, তাদের পারফরম্যান্স ছিল মিলেমিশে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের আবু হায়দার রনি মারলেন ৯৭, রংপুর রাইডার্সের রকিবুল হাসানের ব্যাটে আসে ৫৫। তবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার নিলাম মূল্য পাওয়া নাঈম শেখ সিলেটের হয়ে দুই ইনিংসে করেছেন ৮ ও ৪* রান।

কক্সবাজারে আলো কাড়লেন চট্টগ্রামের দুই পেসার—হাসান মাহমুদ ও ইরফান। রংপুরকে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দেখালেন বিপিএলপ্রাপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তাঁদের ওপর আস্থা বৃথা যায়নি।

মোয়মনসিংহের রনি ও রকিবুলের আক্রমণাত্মক ইনিংস, সিলেটে অমিত–গালিবের দীর্ঘ ব্যাটিং, খুলনায় ঢাকার দুই তরুণ ফয়সাল–জিশানের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে নিলাম–দিনের পরদিনই এনসিএল যেন দেখিয়ে দিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিলামে আলোচনায় থাকা বড় নামের পাশাপাশি এনসিএলে উঠে আসা এই অনালোচিত পারফরমাররাই আগামী মৌসুমে বিপিএলের দলগুলোর নজর কাড়তে পারেন।

স্পোর্টস ডেস্ক

২-১২-২০২৫ রাত ১২:১৫

news image

বিপিএলের নিলাম শেষ হয়েছে মাত্র একদিন আগে। কে কত দামে বিক্রি হলেন—সেটি ছিল দিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এনসিএলের মাঠ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। যারা বিপিএলে দল পাননি, তারাই প্রথম আলো ছড়ালেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

সিলেটে সেঞ্চুরি করলেন দুই অনালোচিত ব্যাটার—অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। আগের দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন চট্টগ্রামের জিল্লুর রহমান বিজয়। তিনজনই বিপিএলের নিলামে দল পাননি।

অন্যদিকে যারা উচ্চমূল্যে দল পেয়েছেন, তাদের পারফরম্যান্স ছিল মিলেমিশে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের আবু হায়দার রনি মারলেন ৯৭, রংপুর রাইডার্সের রকিবুল হাসানের ব্যাটে আসে ৫৫। তবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার নিলাম মূল্য পাওয়া নাঈম শেখ সিলেটের হয়ে দুই ইনিংসে করেছেন ৮ ও ৪* রান।

কক্সবাজারে আলো কাড়লেন চট্টগ্রামের দুই পেসার—হাসান মাহমুদ ও ইরফান। রংপুরকে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দেখালেন বিপিএলপ্রাপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তাঁদের ওপর আস্থা বৃথা যায়নি।

মোয়মনসিংহের রনি ও রকিবুলের আক্রমণাত্মক ইনিংস, সিলেটে অমিত–গালিবের দীর্ঘ ব্যাটিং, খুলনায় ঢাকার দুই তরুণ ফয়সাল–জিশানের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে নিলাম–দিনের পরদিনই এনসিএল যেন দেখিয়ে দিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিলামে আলোচনায় থাকা বড় নামের পাশাপাশি এনসিএলে উঠে আসা এই অনালোচিত পারফরমাররাই আগামী মৌসুমে বিপিএলের দলগুলোর নজর কাড়তে পারেন।