শিরোনামঃ
বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পেলেন ২০ নারী আইসিসিবিতে সুপার সেল কার বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতার সাড়ায় সময় বাড়ল বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান ক্লাব ও চট্টগ্রাম ক্লাবের ক্রীড়া উৎসব বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

বিপিএলের নিলাম শেষে এনসিএলে ঝলক: দল না পাওয়া ব্যাটাররা সেঞ্চুরিতে, আলোচনায় বৈপরীত্য

#
news image

বিপিএলের নিলাম শেষ হয়েছে মাত্র একদিন আগে। কে কত দামে বিক্রি হলেন—সেটি ছিল দিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এনসিএলের মাঠ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। যারা বিপিএলে দল পাননি, তারাই প্রথম আলো ছড়ালেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

সিলেটে সেঞ্চুরি করলেন দুই অনালোচিত ব্যাটার—অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। আগের দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন চট্টগ্রামের জিল্লুর রহমান বিজয়। তিনজনই বিপিএলের নিলামে দল পাননি।

অন্যদিকে যারা উচ্চমূল্যে দল পেয়েছেন, তাদের পারফরম্যান্স ছিল মিলেমিশে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের আবু হায়দার রনি মারলেন ৯৭, রংপুর রাইডার্সের রকিবুল হাসানের ব্যাটে আসে ৫৫। তবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার নিলাম মূল্য পাওয়া নাঈম শেখ সিলেটের হয়ে দুই ইনিংসে করেছেন ৮ ও ৪* রান।

কক্সবাজারে আলো কাড়লেন চট্টগ্রামের দুই পেসার—হাসান মাহমুদ ও ইরফান। রংপুরকে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দেখালেন বিপিএলপ্রাপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তাঁদের ওপর আস্থা বৃথা যায়নি।

মোয়মনসিংহের রনি ও রকিবুলের আক্রমণাত্মক ইনিংস, সিলেটে অমিত–গালিবের দীর্ঘ ব্যাটিং, খুলনায় ঢাকার দুই তরুণ ফয়সাল–জিশানের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে নিলাম–দিনের পরদিনই এনসিএল যেন দেখিয়ে দিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিলামে আলোচনায় থাকা বড় নামের পাশাপাশি এনসিএলে উঠে আসা এই অনালোচিত পারফরমাররাই আগামী মৌসুমে বিপিএলের দলগুলোর নজর কাড়তে পারেন।

স্পোর্টস ডেস্ক

২-১২-২০২৫ রাত ১২:১৫

news image

বিপিএলের নিলাম শেষ হয়েছে মাত্র একদিন আগে। কে কত দামে বিক্রি হলেন—সেটি ছিল দিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এনসিএলের মাঠ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। যারা বিপিএলে দল পাননি, তারাই প্রথম আলো ছড়ালেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

সিলেটে সেঞ্চুরি করলেন দুই অনালোচিত ব্যাটার—অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। আগের দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন চট্টগ্রামের জিল্লুর রহমান বিজয়। তিনজনই বিপিএলের নিলামে দল পাননি।

অন্যদিকে যারা উচ্চমূল্যে দল পেয়েছেন, তাদের পারফরম্যান্স ছিল মিলেমিশে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের আবু হায়দার রনি মারলেন ৯৭, রংপুর রাইডার্সের রকিবুল হাসানের ব্যাটে আসে ৫৫। তবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার নিলাম মূল্য পাওয়া নাঈম শেখ সিলেটের হয়ে দুই ইনিংসে করেছেন ৮ ও ৪* রান।

কক্সবাজারে আলো কাড়লেন চট্টগ্রামের দুই পেসার—হাসান মাহমুদ ও ইরফান। রংপুরকে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দেখালেন বিপিএলপ্রাপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তাঁদের ওপর আস্থা বৃথা যায়নি।

মোয়মনসিংহের রনি ও রকিবুলের আক্রমণাত্মক ইনিংস, সিলেটে অমিত–গালিবের দীর্ঘ ব্যাটিং, খুলনায় ঢাকার দুই তরুণ ফয়সাল–জিশানের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে নিলাম–দিনের পরদিনই এনসিএল যেন দেখিয়ে দিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিলামে আলোচনায় থাকা বড় নামের পাশাপাশি এনসিএলে উঠে আসা এই অনালোচিত পারফরমাররাই আগামী মৌসুমে বিপিএলের দলগুলোর নজর কাড়তে পারেন।