শিরোনামঃ
জনবান্ধব বাজেট ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ: যেখানে সরকারকে নজর দিতে হবে প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে টেন্ডার বাণিজ্য- রূপনগরে দুই প্রতারক আটক আইনের হাতে সোপর্দ জুলকান ইনডোর অ্যারেনা'য় সম্পন্ন হলো জুলকান বিটডাউন ব্যবসায়ীদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে থমকে যাবে নতুন বিনিয়োগ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ

অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদের হিসাব: সাবেক এএসপি রুহুল আমিন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

#
news image

সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে আয়ের সঙ্গে মিল না থাকা বিপুল সম্পদের অভিযোগে বরগুনার সাবেক এএসপি রুহুল আমিন ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অনুসন্ধান বলছে—দম্পতির নামে থাকা সম্পদ এবং ব্যাংক লেনদেন তাদের বৈধ আয়ের তুলনায় স্পষ্টভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তদন্তে দেখা যায়, রুহুল আমিনের নামে পাওয়া যায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সম্পদ, কিন্তু এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় ১ কোটি টাকা। অর্থাৎ তাঁর কাছে থাকা ৫৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকার সম্পদের উৎস অগ্রহণযোগ্য। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তাঁর ব্যাংক হিসাবে ২ কোটি ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে—যা একজন এসপি-র সমপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তার বেতন–ভাতার কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন।

দুদকের বিশ্লেষকদের ভাষায়, “সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যাংক লেনদেনে স্বচ্ছতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এখানে জমা-উত্তোলনের পরিমাণ ও ফ্রিকোয়েন্সি দু’টোই প্রশ্ন তৈরি করে।”

অন্যদিকে, রুহুল আমিনের স্ত্রী রোকসান আরা বেগমের সম্পদের ক্ষেত্রেও আয়–সম্পদের স্পষ্ট অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। তাঁর নামে থাকা মোট ৪ কোটি ১ লাখ টাকার সম্পদের বিপরীতে বৈধ আয় পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ফলে ৩৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যাখ্যাতীত থেকে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত বেড়েছে। উচ্চ আদালতও ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ’–এর ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশনা দিয়েছে। রুহুল আমিন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্তকে সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০-১১-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে আয়ের সঙ্গে মিল না থাকা বিপুল সম্পদের অভিযোগে বরগুনার সাবেক এএসপি রুহুল আমিন ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অনুসন্ধান বলছে—দম্পতির নামে থাকা সম্পদ এবং ব্যাংক লেনদেন তাদের বৈধ আয়ের তুলনায় স্পষ্টভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তদন্তে দেখা যায়, রুহুল আমিনের নামে পাওয়া যায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সম্পদ, কিন্তু এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় ১ কোটি টাকা। অর্থাৎ তাঁর কাছে থাকা ৫৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকার সম্পদের উৎস অগ্রহণযোগ্য। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তাঁর ব্যাংক হিসাবে ২ কোটি ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে—যা একজন এসপি-র সমপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তার বেতন–ভাতার কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন।

দুদকের বিশ্লেষকদের ভাষায়, “সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যাংক লেনদেনে স্বচ্ছতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এখানে জমা-উত্তোলনের পরিমাণ ও ফ্রিকোয়েন্সি দু’টোই প্রশ্ন তৈরি করে।”

অন্যদিকে, রুহুল আমিনের স্ত্রী রোকসান আরা বেগমের সম্পদের ক্ষেত্রেও আয়–সম্পদের স্পষ্ট অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। তাঁর নামে থাকা মোট ৪ কোটি ১ লাখ টাকার সম্পদের বিপরীতে বৈধ আয় পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ফলে ৩৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যাখ্যাতীত থেকে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত বেড়েছে। উচ্চ আদালতও ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ’–এর ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশনা দিয়েছে। রুহুল আমিন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্তকে সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।