শিরোনামঃ
বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পেলেন ২০ নারী আইসিসিবিতে সুপার সেল কার বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতার সাড়ায় সময় বাড়ল বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান ক্লাব ও চট্টগ্রাম ক্লাবের ক্রীড়া উৎসব বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

তিন লকারে ভিন্ন চিত্র—পাটের ব্যাগ থেকে ৮৩১ ভরি স্বর্ণ, ২০০৭ সালের বিবরণীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখবে দুদক

#
news image

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে সংরক্ষিত তিনটি লকার খুলে ভিন্নধর্মী চিত্র পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখার লকার নম্বর ১২৮–এ পাওয়া গেছে শুধু একটি ছোট পাটের ব্যাগ; কোনো স্বর্ণ, মুদ্রা বা মূল্যবান সম্পদ নেই।

অন্যদিকে অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার লকার নম্বর ৭৫১/বড়/১৯৬ (শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদের যৌথ লকার) থেকে ৪৯২৩.৬০ গ্রাম এবং লকার নম্বর ৭৫৩/বড়/২০০ (শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা) থেকে ৪৭৮৩.৫৬ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়। দুই লকারে মোট ৮৩১ দশমিক ৬৭ ভরি গহনা পাওয়া গেছে।

স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে রয়েছে পারিবারিকভাবে উপহার দেওয়া বা ব্যবহৃত বিভিন্ন অলংকার। পাওয়া গেছে শেখ কামালের আংটি, সজীব ওয়াজেদ জয়ের ব্যবহৃত অলংকার, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের গহনা এবং জয়ের স্ত্রীর জন্য কেনা একটি চেইন—যার উল্লেখ শেখ হাসিনা নিজ হাতে লিখে রেখেছিলেন।

২০০৭ সালে শেখ হাসিনা দুদকে যে সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছিলেন, তার সঙ্গে লকারের তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন। কোনো অতিরিক্ত অলংকার পাওয়া গেলে তা অবৈধ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

লকার খোলার আবেদন, আদালতের অনুমতি ও খোলার কার্যক্রম—সবটি পরিচালনা করেছে দুদক। জুয়েলারি বিশেষজ্ঞ, এনবিআর ও আয়কর গোয়েন্দা কর্মকর্তার উপস্থিতিতেও লকার খোলার কাজ সম্পন্ন হয়। উদ্ধারকৃত গহনা দুই ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন জানান, লকার খোলার ক্ষেত্রে এনবিআর একটি অংশ হিসেবে উপস্থিত ছিল; দুদকের প্রয়োজন অনুযায়ীই তাদের উপস্থিতি চাওয়া হয়েছিল।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭-১১-২০২৫ রাত ১২:৯

news image

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে সংরক্ষিত তিনটি লকার খুলে ভিন্নধর্মী চিত্র পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখার লকার নম্বর ১২৮–এ পাওয়া গেছে শুধু একটি ছোট পাটের ব্যাগ; কোনো স্বর্ণ, মুদ্রা বা মূল্যবান সম্পদ নেই।

অন্যদিকে অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার লকার নম্বর ৭৫১/বড়/১৯৬ (শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদের যৌথ লকার) থেকে ৪৯২৩.৬০ গ্রাম এবং লকার নম্বর ৭৫৩/বড়/২০০ (শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা) থেকে ৪৭৮৩.৫৬ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়। দুই লকারে মোট ৮৩১ দশমিক ৬৭ ভরি গহনা পাওয়া গেছে।

স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে রয়েছে পারিবারিকভাবে উপহার দেওয়া বা ব্যবহৃত বিভিন্ন অলংকার। পাওয়া গেছে শেখ কামালের আংটি, সজীব ওয়াজেদ জয়ের ব্যবহৃত অলংকার, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের গহনা এবং জয়ের স্ত্রীর জন্য কেনা একটি চেইন—যার উল্লেখ শেখ হাসিনা নিজ হাতে লিখে রেখেছিলেন।

২০০৭ সালে শেখ হাসিনা দুদকে যে সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছিলেন, তার সঙ্গে লকারের তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন। কোনো অতিরিক্ত অলংকার পাওয়া গেলে তা অবৈধ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

লকার খোলার আবেদন, আদালতের অনুমতি ও খোলার কার্যক্রম—সবটি পরিচালনা করেছে দুদক। জুয়েলারি বিশেষজ্ঞ, এনবিআর ও আয়কর গোয়েন্দা কর্মকর্তার উপস্থিতিতেও লকার খোলার কাজ সম্পন্ন হয়। উদ্ধারকৃত গহনা দুই ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন জানান, লকার খোলার ক্ষেত্রে এনবিআর একটি অংশ হিসেবে উপস্থিত ছিল; দুদকের প্রয়োজন অনুযায়ীই তাদের উপস্থিতি চাওয়া হয়েছিল।