শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

হলুদ সাংবাদিকতা ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা রুখতে নীতি চান অ্যাটর্নি জেনারেল

#
news image

রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর তৃতীয় দিনের আলোচনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে বহু আইন প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের ধারাই প্রয়োগ করা হয়।”

তিনি জানান, কোনো আইনের আওতায় না পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সাংবাদিককে জড়ানো সম্ভব—এই প্রবণতাই মূল সমস্যা। সমাধান হিসেবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালকদের মানসিকতা না বদলালে কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দোষারোপ করে লাভ নেই।”

মানহানি, দেওয়ানি মামলা, ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন ধারা, এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই ‘রাষ্ট্র চাইলে’ সাংবাদিক নিবর্তনে ব্যবহার হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান, “যে আইন কণ্ঠরোধ করে, সেসব আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪-১১-২০২৫ রাত ১১:৪৬

news image

রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর তৃতীয় দিনের আলোচনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে বহু আইন প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের ধারাই প্রয়োগ করা হয়।”

তিনি জানান, কোনো আইনের আওতায় না পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সাংবাদিককে জড়ানো সম্ভব—এই প্রবণতাই মূল সমস্যা। সমাধান হিসেবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালকদের মানসিকতা না বদলালে কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দোষারোপ করে লাভ নেই।”

মানহানি, দেওয়ানি মামলা, ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন ধারা, এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই ‘রাষ্ট্র চাইলে’ সাংবাদিক নিবর্তনে ব্যবহার হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান, “যে আইন কণ্ঠরোধ করে, সেসব আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”