শিরোনামঃ
সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ও বিভিন্ন দেশের রুলিং ও সংসদীয় রীতিনীতি অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর অভিযোগ, ভাটারা থানায় জিডি মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত ‘কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, সব খুঁজে বের করতে হবে’ সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে প্রথম শর্ত আইনের শাসন ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে? চিকিৎসা কষ্টে থাকা কাঙালিনী সুফিয়ার দায়িত্ব নিল আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমার শঙ্কা, ক্ষতির মুখে সংশ্লিষ্ট শিল্প

হলুদ সাংবাদিকতা ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা রুখতে নীতি চান অ্যাটর্নি জেনারেল

#
news image

রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর তৃতীয় দিনের আলোচনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে বহু আইন প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের ধারাই প্রয়োগ করা হয়।”

তিনি জানান, কোনো আইনের আওতায় না পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সাংবাদিককে জড়ানো সম্ভব—এই প্রবণতাই মূল সমস্যা। সমাধান হিসেবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালকদের মানসিকতা না বদলালে কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দোষারোপ করে লাভ নেই।”

মানহানি, দেওয়ানি মামলা, ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন ধারা, এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই ‘রাষ্ট্র চাইলে’ সাংবাদিক নিবর্তনে ব্যবহার হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান, “যে আইন কণ্ঠরোধ করে, সেসব আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪-১১-২০২৫ রাত ১১:৪৬

news image

রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর তৃতীয় দিনের আলোচনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে বহু আইন প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের ধারাই প্রয়োগ করা হয়।”

তিনি জানান, কোনো আইনের আওতায় না পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সাংবাদিককে জড়ানো সম্ভব—এই প্রবণতাই মূল সমস্যা। সমাধান হিসেবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালকদের মানসিকতা না বদলালে কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দোষারোপ করে লাভ নেই।”

মানহানি, দেওয়ানি মামলা, ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন ধারা, এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই ‘রাষ্ট্র চাইলে’ সাংবাদিক নিবর্তনে ব্যবহার হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান, “যে আইন কণ্ঠরোধ করে, সেসব আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”