শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

ডুবে যাওয়ার আগে কৃষকের ধান কেটে দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ

#
news image

দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো বর্ষা বা আকস্মিক ভারী বৃষ্টিতে মুহূর্তে রূপ নেয় উত্তাল জলরাশিতে। চোখের পলকে ডুবে যায় নদীর পাশের কৃষিজমি। লালমনিরহাট সদরের খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও বড়বাড়ি ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মরাসতি নদীতেও সম্প্রতি দেখা দিয়েছে এমন পরিস্থিতি। দীর্ঘদিন প্রায় শুকিয়ে থাকা নদীর বুকে কৃষকরা চাষ করেছিলেন ধান। ভারী বর্ষণে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কৃষকের মাঝে। তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয় পাকা ধান। এমন সময়ে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার সদস্যরা। 

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে তারা দুই কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দেন। এমন সামাজিক দায়বদ্ধতা আর সহমর্মিতায় কৃষকের মুখে হাসির দেখা মেলে। স্থানীয়রা জানান, সময়মতো ধান কাটতে না পারলে পুরো ফসল পানিতে নষ্ট হয়ে যেত। তরুণদের এ উদ্যোগ কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। এ উদ্যোগে অংশ নেন বসুন্ধরা শুভসংঘ জেলা শাখার উপদেষ্টা তন্ময় আহমেদ নয়ন, সাধারণ সম্পাদক নাঈম রহমান, প্রচার সম্পাদক মাহাবুব, সদর উপজেলার সহসাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় চন্দ্র বর্মন, কার্যকরী সদস্য পবিত্র চন্দ্র রায়, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক নোবেল সরকার নিরব, সদস্য ভূপতি রায়, নাহিদ আলম, রাব্বিসহ আরও অনেকে। সাধারণ সম্পাদক নাঈম রহমান বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় মানবিক ও শুভকাজের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের অঙ্গীকার।’

বিজ্ঞতি

১৬-৫-২০২৬ দুপুর ১:৫৯

news image

দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো বর্ষা বা আকস্মিক ভারী বৃষ্টিতে মুহূর্তে রূপ নেয় উত্তাল জলরাশিতে। চোখের পলকে ডুবে যায় নদীর পাশের কৃষিজমি। লালমনিরহাট সদরের খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও বড়বাড়ি ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মরাসতি নদীতেও সম্প্রতি দেখা দিয়েছে এমন পরিস্থিতি। দীর্ঘদিন প্রায় শুকিয়ে থাকা নদীর বুকে কৃষকরা চাষ করেছিলেন ধান। ভারী বর্ষণে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কৃষকের মাঝে। তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয় পাকা ধান। এমন সময়ে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার সদস্যরা। 

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে তারা দুই কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দেন। এমন সামাজিক দায়বদ্ধতা আর সহমর্মিতায় কৃষকের মুখে হাসির দেখা মেলে। স্থানীয়রা জানান, সময়মতো ধান কাটতে না পারলে পুরো ফসল পানিতে নষ্ট হয়ে যেত। তরুণদের এ উদ্যোগ কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। এ উদ্যোগে অংশ নেন বসুন্ধরা শুভসংঘ জেলা শাখার উপদেষ্টা তন্ময় আহমেদ নয়ন, সাধারণ সম্পাদক নাঈম রহমান, প্রচার সম্পাদক মাহাবুব, সদর উপজেলার সহসাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় চন্দ্র বর্মন, কার্যকরী সদস্য পবিত্র চন্দ্র রায়, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক নোবেল সরকার নিরব, সদস্য ভূপতি রায়, নাহিদ আলম, রাব্বিসহ আরও অনেকে। সাধারণ সম্পাদক নাঈম রহমান বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় মানবিক ও শুভকাজের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের অঙ্গীকার।’