শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

মাত্র ২ জন ডাক্তার চালাচ্ছেন ২.৫ লাখ মানুষের হাসপাতাল

#
news image

জেলার কাহারোল উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে ভয়াবহ চিকিৎসক সংকটের কারণে। স্থানীয় কাহারোল উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিরল, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসা এই হাসপাতাল, কিন্তু সেখানে ১৬ জন মেডিকেল অফিসারের পদের বিপরীতে বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন মাত্র চারজন চিকিৎসক! এদের মধ্যে আবার একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, একজন ইউনানী, একজন জেনারেল ও একজন ডেন্টাল চিকিৎসক।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে আরও করুণ চিত্র। কার্যত, হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাচ্ছেন মাত্র দুইজন চিকিৎসক।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী। জরুরি বিভাগে থাকে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীর ভিড়। পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন।

এই ভয়াবহ সংকটের মধ্যে, ইউনানী চিকিৎসক ডাঃ মোঃ নাফিস রেজা একাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। অন্য দিকে, মেডিকেল অফিসার ডাঃ শুভ আন্তঃবিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কার্যত, এই দুইজন ডাক্তারের ওপরই নির্ভর করছে আড়াই লাখ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চিকিৎসকের অভাবের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, আমরা খুব কষ্টের মধ্যেও চেষ্টা করছি যাতে কোনো রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে এবং আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে আমরা চিকিৎসক পেয়ে যাব।

এই চরম চিকিৎসক সংকট, স্বাস্থ্য সহকারী, আয়া, ওয়ার্ডবয় ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ঘাটতির সঙ্গে মিলে কাহারোল ৫০ শয্যার হাসপাতালকে কার্যত এক রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। দ্রুত এই শূন্যপদগুলো পূরণ না হলে আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

মো. ইসমাইল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি

২৩-১১-২০২৫ রাত ১১:৫০

news image

জেলার কাহারোল উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে ভয়াবহ চিকিৎসক সংকটের কারণে। স্থানীয় কাহারোল উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিরল, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসা এই হাসপাতাল, কিন্তু সেখানে ১৬ জন মেডিকেল অফিসারের পদের বিপরীতে বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন মাত্র চারজন চিকিৎসক! এদের মধ্যে আবার একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, একজন ইউনানী, একজন জেনারেল ও একজন ডেন্টাল চিকিৎসক।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে আরও করুণ চিত্র। কার্যত, হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাচ্ছেন মাত্র দুইজন চিকিৎসক।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী। জরুরি বিভাগে থাকে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীর ভিড়। পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন।

এই ভয়াবহ সংকটের মধ্যে, ইউনানী চিকিৎসক ডাঃ মোঃ নাফিস রেজা একাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। অন্য দিকে, মেডিকেল অফিসার ডাঃ শুভ আন্তঃবিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কার্যত, এই দুইজন ডাক্তারের ওপরই নির্ভর করছে আড়াই লাখ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চিকিৎসকের অভাবের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, আমরা খুব কষ্টের মধ্যেও চেষ্টা করছি যাতে কোনো রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে এবং আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে আমরা চিকিৎসক পেয়ে যাব।

এই চরম চিকিৎসক সংকট, স্বাস্থ্য সহকারী, আয়া, ওয়ার্ডবয় ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ঘাটতির সঙ্গে মিলে কাহারোল ৫০ শয্যার হাসপাতালকে কার্যত এক রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। দ্রুত এই শূন্যপদগুলো পূরণ না হলে আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।