শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

মাত্র ২ জন ডাক্তার চালাচ্ছেন ২.৫ লাখ মানুষের হাসপাতাল

#
news image

জেলার কাহারোল উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে ভয়াবহ চিকিৎসক সংকটের কারণে। স্থানীয় কাহারোল উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিরল, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসা এই হাসপাতাল, কিন্তু সেখানে ১৬ জন মেডিকেল অফিসারের পদের বিপরীতে বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন মাত্র চারজন চিকিৎসক! এদের মধ্যে আবার একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, একজন ইউনানী, একজন জেনারেল ও একজন ডেন্টাল চিকিৎসক।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে আরও করুণ চিত্র। কার্যত, হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাচ্ছেন মাত্র দুইজন চিকিৎসক।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী। জরুরি বিভাগে থাকে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীর ভিড়। পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন।

এই ভয়াবহ সংকটের মধ্যে, ইউনানী চিকিৎসক ডাঃ মোঃ নাফিস রেজা একাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। অন্য দিকে, মেডিকেল অফিসার ডাঃ শুভ আন্তঃবিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কার্যত, এই দুইজন ডাক্তারের ওপরই নির্ভর করছে আড়াই লাখ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চিকিৎসকের অভাবের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, আমরা খুব কষ্টের মধ্যেও চেষ্টা করছি যাতে কোনো রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে এবং আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে আমরা চিকিৎসক পেয়ে যাব।

এই চরম চিকিৎসক সংকট, স্বাস্থ্য সহকারী, আয়া, ওয়ার্ডবয় ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ঘাটতির সঙ্গে মিলে কাহারোল ৫০ শয্যার হাসপাতালকে কার্যত এক রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। দ্রুত এই শূন্যপদগুলো পূরণ না হলে আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

মো. ইসমাইল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি

২৩-১১-২০২৫ রাত ১১:৫০

news image

জেলার কাহারোল উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে ভয়াবহ চিকিৎসক সংকটের কারণে। স্থানীয় কাহারোল উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিরল, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসা এই হাসপাতাল, কিন্তু সেখানে ১৬ জন মেডিকেল অফিসারের পদের বিপরীতে বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন মাত্র চারজন চিকিৎসক! এদের মধ্যে আবার একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, একজন ইউনানী, একজন জেনারেল ও একজন ডেন্টাল চিকিৎসক।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে আরও করুণ চিত্র। কার্যত, হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাচ্ছেন মাত্র দুইজন চিকিৎসক।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী। জরুরি বিভাগে থাকে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীর ভিড়। পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন।

এই ভয়াবহ সংকটের মধ্যে, ইউনানী চিকিৎসক ডাঃ মোঃ নাফিস রেজা একাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। অন্য দিকে, মেডিকেল অফিসার ডাঃ শুভ আন্তঃবিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কার্যত, এই দুইজন ডাক্তারের ওপরই নির্ভর করছে আড়াই লাখ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চিকিৎসকের অভাবের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, আমরা খুব কষ্টের মধ্যেও চেষ্টা করছি যাতে কোনো রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে এবং আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে আমরা চিকিৎসক পেয়ে যাব।

এই চরম চিকিৎসক সংকট, স্বাস্থ্য সহকারী, আয়া, ওয়ার্ডবয় ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ঘাটতির সঙ্গে মিলে কাহারোল ৫০ শয্যার হাসপাতালকে কার্যত এক রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। দ্রুত এই শূন্যপদগুলো পূরণ না হলে আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।