শিরোনামঃ
কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির

দুদকে সাকিব: শুভেচ্ছাদূত থেকে অভিযুক্ত-কোথায় দাঁড়িয়ে মামলার তদন্ত?

#
news image

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের গর্ব সাকিব আল হাসান এবার আবারো আলোচনার কেন্দ্রে—তবে ব্যাট–বলের ঝলকে নয়, বরং দুদকের তলবকে কেন্দ্র করে। শেয়ারবাজার কারসাজি ও অর্থপাচার–সদৃশ অভিযোগের তদন্তে তাকে আগামী ২৬ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

অভিযোগের মূল নায়ক সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মোহাম্মদ আবুল খায়ের ওরফে হিরু। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, তিনি শেয়ারবাজার আইন লঙ্ঘন করে কারসাজির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিপথগামী করেন এবং অর্জিত অর্থ লেয়ারিং করে বিভিন্ন খাতে সরিয়ে নেন। তদন্তে সাকিবসহ ১৫ জনের সংশ্লিষ্টতার দাবি জানাচ্ছে দুদক।

তবে এই তলবকে ঘিরে নতুন আলোচনার জন্ম হয়েছে। কারণ, একসময় দুর্নীতি প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে দুদকের শুভেচ্ছাদূত ছিলেন ঠিক এই সাকিবই। ২০১৮ সালে তাকে এই দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে ২০২২ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে শুরু হয় অনুসন্ধান এবং মামলাও হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়াব্যক্তিত্বদের একজন হওয়ায় এই তদন্ত বড় ধরনের জনমত প্রভাব ফেলতে পারে। আবার সাকিবের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াজগতের পরিচিতি তদন্তকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

এখন নজর থাকবে-২৬ নভেম্বর দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব কী ব্যাখ্যা দেন, তার বক্তব্য তদন্তের গতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং মামলার পরবর্তী ধাপ কী দাঁড়ায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০-১১-২০২৫ রাত ১১:৪১

news image

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের গর্ব সাকিব আল হাসান এবার আবারো আলোচনার কেন্দ্রে—তবে ব্যাট–বলের ঝলকে নয়, বরং দুদকের তলবকে কেন্দ্র করে। শেয়ারবাজার কারসাজি ও অর্থপাচার–সদৃশ অভিযোগের তদন্তে তাকে আগামী ২৬ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

অভিযোগের মূল নায়ক সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মোহাম্মদ আবুল খায়ের ওরফে হিরু। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, তিনি শেয়ারবাজার আইন লঙ্ঘন করে কারসাজির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিপথগামী করেন এবং অর্জিত অর্থ লেয়ারিং করে বিভিন্ন খাতে সরিয়ে নেন। তদন্তে সাকিবসহ ১৫ জনের সংশ্লিষ্টতার দাবি জানাচ্ছে দুদক।

তবে এই তলবকে ঘিরে নতুন আলোচনার জন্ম হয়েছে। কারণ, একসময় দুর্নীতি প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে দুদকের শুভেচ্ছাদূত ছিলেন ঠিক এই সাকিবই। ২০১৮ সালে তাকে এই দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে ২০২২ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে শুরু হয় অনুসন্ধান এবং মামলাও হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়াব্যক্তিত্বদের একজন হওয়ায় এই তদন্ত বড় ধরনের জনমত প্রভাব ফেলতে পারে। আবার সাকিবের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াজগতের পরিচিতি তদন্তকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

এখন নজর থাকবে-২৬ নভেম্বর দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব কী ব্যাখ্যা দেন, তার বক্তব্য তদন্তের গতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং মামলার পরবর্তী ধাপ কী দাঁড়ায়।