শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

‘ভারত কঠিন কূটনৈতিক সংকটে’-শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে বিবিসির বিশ্লেষণ

#
news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৭

news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।