শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

‘ভারত কঠিন কূটনৈতিক সংকটে’-শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে বিবিসির বিশ্লেষণ

#
news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৭

news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।