শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

‘ভারত কঠিন কূটনৈতিক সংকটে’-শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে বিবিসির বিশ্লেষণ

#
news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৭

news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।