শিরোনামঃ
সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করা নেতাদের দলে ঠাঁই হবে না : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের হাত ধরে উন্মোচিত আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ: বাসাইল সেতু কাণ্ডে এলজিইডি কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ

#
news image

ভারতের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারাধীন এক পলাতক আসামিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়া দুদেশের সম্পর্কের জন্য ‘অসহায়ক ও অনভিপ্রেত’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে কূটনৈতিক সতর্কবার্তা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ আশা করছে, নয়াদিল্লি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সম্পর্কের গঠনমূলক অগ্রগতি বজায় থাকবে।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৩-১১-২০২৫ রাত ১২:১৪

news image

ভারতের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারাধীন এক পলাতক আসামিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়া দুদেশের সম্পর্কের জন্য ‘অসহায়ক ও অনভিপ্রেত’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে কূটনৈতিক সতর্কবার্তা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ আশা করছে, নয়াদিল্লি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সম্পর্কের গঠনমূলক অগ্রগতি বজায় থাকবে।