শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ

#
news image

ভারতের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারাধীন এক পলাতক আসামিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়া দুদেশের সম্পর্কের জন্য ‘অসহায়ক ও অনভিপ্রেত’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে কূটনৈতিক সতর্কবার্তা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ আশা করছে, নয়াদিল্লি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সম্পর্কের গঠনমূলক অগ্রগতি বজায় থাকবে।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৩-১১-২০২৫ রাত ১২:১৪

news image

ভারতের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারাধীন এক পলাতক আসামিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়া দুদেশের সম্পর্কের জন্য ‘অসহায়ক ও অনভিপ্রেত’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে কূটনৈতিক সতর্কবার্তা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ আশা করছে, নয়াদিল্লি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সম্পর্কের গঠনমূলক অগ্রগতি বজায় থাকবে।