শিরোনামঃ
সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ও বিভিন্ন দেশের রুলিং ও সংসদীয় রীতিনীতি অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর অভিযোগ, ভাটারা থানায় জিডি মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত ‘কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, সব খুঁজে বের করতে হবে’ সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে প্রথম শর্ত আইনের শাসন ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে? চিকিৎসা কষ্টে থাকা কাঙালিনী সুফিয়ার দায়িত্ব নিল আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমার শঙ্কা, ক্ষতির মুখে সংশ্লিষ্ট শিল্প

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ

#
news image

ভারতের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারাধীন এক পলাতক আসামিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়া দুদেশের সম্পর্কের জন্য ‘অসহায়ক ও অনভিপ্রেত’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে কূটনৈতিক সতর্কবার্তা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ আশা করছে, নয়াদিল্লি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সম্পর্কের গঠনমূলক অগ্রগতি বজায় থাকবে।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৩-১১-২০২৫ রাত ১২:১৪

news image

ভারতের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারাধীন এক পলাতক আসামিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়া দুদেশের সম্পর্কের জন্য ‘অসহায়ক ও অনভিপ্রেত’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে কূটনৈতিক সতর্কবার্তা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ আশা করছে, নয়াদিল্লি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সম্পর্কের গঠনমূলক অগ্রগতি বজায় থাকবে।