শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

ডাকসুর সিদ্ধান্ত: রাজনৈতিক প্রভাব ও শিক্ষাজগতের প্রতিক্রিয়া

#
news image

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) বুধবার (১২ নভেম্বর) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০১৯ সালের আজীবন সদস্যপদ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম জানান, এটি ছিল অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক রেজুলেশন, যা গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে করা হয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ডাকসুর এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাংগঠনিক নিয়মানুবর্তিতার অংশ নয়, বরং শিক্ষাজগতের রাজনৈতিক প্রভাব ও ছাত্রসংসদের স্বায়ত্তশাসনের দিকে একটি বার্তা দেয়। ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতি দেখিয়েছে, যে সিদ্ধান্তটি পূর্ণাঙ্গ বৈঠক ও সংবিধান অনুসারে গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়, ২০১৯ সালের রেজুলেশনটি ছাত্র-জনতার বিপ্লব ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে গৃহীত হয়েছিল, যা দীর্ঘদিন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ডাকসুর বর্তমান সিদ্ধান্ত শিক্ষাজগত ও রাজনীতি উভয়ের মধ্যেই নতুন বিতর্ক ও আলোচনার সূচনা করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৩-১১-২০২৫ রাত ১২:৯

news image

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) বুধবার (১২ নভেম্বর) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০১৯ সালের আজীবন সদস্যপদ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম জানান, এটি ছিল অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক রেজুলেশন, যা গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে করা হয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ডাকসুর এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাংগঠনিক নিয়মানুবর্তিতার অংশ নয়, বরং শিক্ষাজগতের রাজনৈতিক প্রভাব ও ছাত্রসংসদের স্বায়ত্তশাসনের দিকে একটি বার্তা দেয়। ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতি দেখিয়েছে, যে সিদ্ধান্তটি পূর্ণাঙ্গ বৈঠক ও সংবিধান অনুসারে গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়, ২০১৯ সালের রেজুলেশনটি ছাত্র-জনতার বিপ্লব ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে গৃহীত হয়েছিল, যা দীর্ঘদিন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ডাকসুর বর্তমান সিদ্ধান্ত শিক্ষাজগত ও রাজনীতি উভয়ের মধ্যেই নতুন বিতর্ক ও আলোচনার সূচনা করেছে।