শিরোনামঃ
কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির

 টুকুর বক্তব্যে নতুন করে আলোচনায় জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা

#
news image

স্বাধীনতা ঘোষণার প্রশ্নে আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। রোববার (৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে মনে হয়েছিল শরীরে বিদ্যুৎ চমকালো।

টুকুর এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন স্বাধীনতার ঘোষণার ইতিহাস নিয়ে দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই মেরুকরণ ও বিতর্ক চলে আসছে।

বক্তব্যে তিনি ৭ মার্চের ভাষণকে ‘কম্প্রোমাইজের বক্তৃতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন যে, জিয়াউর রহমানই প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা মানুষের মধ্যে আস্থা ও সাহস জাগায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির এই ধরনের বক্তব্য মূলত ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ঘিরে দলের আদর্শিক অবস্থান পুনর্নির্মাণের অংশ। এর মাধ্যমে বিএনপি আবারও ‘জিয়ার ভূমিকা বনাম বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব’ বিতর্ককে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনতে চাইছে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের নেতারা বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, ৭ মার্চের ভাষণই ছিল প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা, আর জিয়া কেবল বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা পাঠ করেছিলেন।

৭ নভেম্বর উপলক্ষে আয়োজিত এই সভায় বিএনপির নেতারা ‘জাতীয়তাবাদী চেতনার পুনর্জাগরণ’ ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বার্তা দিয়েছেন, যা আগামী রাজনৈতিক কর্মসূচির দিক নির্দেশনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

তানভীর সানি

১০-১১-২০২৫ রাত ১২:৮

news image

স্বাধীনতা ঘোষণার প্রশ্নে আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। রোববার (৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে মনে হয়েছিল শরীরে বিদ্যুৎ চমকালো।

টুকুর এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন স্বাধীনতার ঘোষণার ইতিহাস নিয়ে দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই মেরুকরণ ও বিতর্ক চলে আসছে।

বক্তব্যে তিনি ৭ মার্চের ভাষণকে ‘কম্প্রোমাইজের বক্তৃতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন যে, জিয়াউর রহমানই প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা মানুষের মধ্যে আস্থা ও সাহস জাগায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির এই ধরনের বক্তব্য মূলত ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ঘিরে দলের আদর্শিক অবস্থান পুনর্নির্মাণের অংশ। এর মাধ্যমে বিএনপি আবারও ‘জিয়ার ভূমিকা বনাম বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব’ বিতর্ককে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনতে চাইছে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের নেতারা বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, ৭ মার্চের ভাষণই ছিল প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা, আর জিয়া কেবল বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা পাঠ করেছিলেন।

৭ নভেম্বর উপলক্ষে আয়োজিত এই সভায় বিএনপির নেতারা ‘জাতীয়তাবাদী চেতনার পুনর্জাগরণ’ ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বার্তা দিয়েছেন, যা আগামী রাজনৈতিক কর্মসূচির দিক নির্দেশনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।