শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

 টুকুর বক্তব্যে নতুন করে আলোচনায় জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা

#
news image

স্বাধীনতা ঘোষণার প্রশ্নে আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। রোববার (৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে মনে হয়েছিল শরীরে বিদ্যুৎ চমকালো।

টুকুর এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন স্বাধীনতার ঘোষণার ইতিহাস নিয়ে দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই মেরুকরণ ও বিতর্ক চলে আসছে।

বক্তব্যে তিনি ৭ মার্চের ভাষণকে ‘কম্প্রোমাইজের বক্তৃতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন যে, জিয়াউর রহমানই প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা মানুষের মধ্যে আস্থা ও সাহস জাগায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির এই ধরনের বক্তব্য মূলত ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ঘিরে দলের আদর্শিক অবস্থান পুনর্নির্মাণের অংশ। এর মাধ্যমে বিএনপি আবারও ‘জিয়ার ভূমিকা বনাম বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব’ বিতর্ককে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনতে চাইছে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের নেতারা বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, ৭ মার্চের ভাষণই ছিল প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা, আর জিয়া কেবল বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা পাঠ করেছিলেন।

৭ নভেম্বর উপলক্ষে আয়োজিত এই সভায় বিএনপির নেতারা ‘জাতীয়তাবাদী চেতনার পুনর্জাগরণ’ ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বার্তা দিয়েছেন, যা আগামী রাজনৈতিক কর্মসূচির দিক নির্দেশনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

তানভীর সানি

১০-১১-২০২৫ রাত ১২:৮

news image

স্বাধীনতা ঘোষণার প্রশ্নে আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। রোববার (৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে মনে হয়েছিল শরীরে বিদ্যুৎ চমকালো।

টুকুর এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন স্বাধীনতার ঘোষণার ইতিহাস নিয়ে দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই মেরুকরণ ও বিতর্ক চলে আসছে।

বক্তব্যে তিনি ৭ মার্চের ভাষণকে ‘কম্প্রোমাইজের বক্তৃতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন যে, জিয়াউর রহমানই প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা মানুষের মধ্যে আস্থা ও সাহস জাগায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির এই ধরনের বক্তব্য মূলত ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ঘিরে দলের আদর্শিক অবস্থান পুনর্নির্মাণের অংশ। এর মাধ্যমে বিএনপি আবারও ‘জিয়ার ভূমিকা বনাম বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব’ বিতর্ককে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনতে চাইছে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের নেতারা বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, ৭ মার্চের ভাষণই ছিল প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা, আর জিয়া কেবল বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা পাঠ করেছিলেন।

৭ নভেম্বর উপলক্ষে আয়োজিত এই সভায় বিএনপির নেতারা ‘জাতীয়তাবাদী চেতনার পুনর্জাগরণ’ ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বার্তা দিয়েছেন, যা আগামী রাজনৈতিক কর্মসূচির দিক নির্দেশনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।