শিরোনামঃ
ব্যবসায়ীদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে থমকে যাবে নতুন বিনিয়োগ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি অধ্যাপক রীনাত ফওজিয়া ঢাবি সিনেট সদস্য নির্বাচিত বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা

রাজপথে রাজনীতির ঘোষণা, নতুন ধারা গড়তে চায় এনসিপি

#
news image

দেশের রাজনৈতিক মাঠে ‘বিকল্প শক্তি’ গড়ে তুলতে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বুধবার চট্টগ্রামে এক সভায় বলেন, “আমরা কারও বগলে যাব না, প্রয়োজনে রাজপথকেই সংসদ বানাব।”

এই বক্তব্যকে বিশ্লেষকরা দেখছেন রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ হিসেবে। জোটনির্ভর রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে এনসিপি এখন একক অবস্থানে নিজেদের শক্তি প্রমাণে মনোযোগী।

সভায় হাসনাত বলেন, “ফ্যাসিস্টবিরোধী ও বাংলাদেশপন্থি শক্তিরাই নতুন বাংলাদেশ গড়বে।” তিনি দাবি করেন, “নভেম্বরের মধ্যেই শেখ হাসিনার বিচারের রায় হবে, কারণ ফ্যাসিবাদ কেবল ব্যক্তির নয়, একটি আইডিয়ার নাম।”

এনসিপি নেতারা সভায় জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিন সাংগঠনিক জেলা এখন ‘প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ’। তারা আসন্ন নির্বাচনে ১৬ আসনের মধ্যে অন্তত ১০–১২টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে আশা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ‘রাজপথকেই সংসদ বানানোর’ আহ্বানটি এনসিপির তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন বিস্তারের ইঙ্গিত বহন করে। তরুণ ও প্রগতিশীল শ্রেণির মধ্যে দলের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চায় তারা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মীর আরশাদুল আলম। উপস্থিত ছিলেন এ এস এম সুজা উদ্দিন, হাসান আলী ও জুবাইরুল ইসলাম আরিফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

৫-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৮

news image

দেশের রাজনৈতিক মাঠে ‘বিকল্প শক্তি’ গড়ে তুলতে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বুধবার চট্টগ্রামে এক সভায় বলেন, “আমরা কারও বগলে যাব না, প্রয়োজনে রাজপথকেই সংসদ বানাব।”

এই বক্তব্যকে বিশ্লেষকরা দেখছেন রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ হিসেবে। জোটনির্ভর রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে এনসিপি এখন একক অবস্থানে নিজেদের শক্তি প্রমাণে মনোযোগী।

সভায় হাসনাত বলেন, “ফ্যাসিস্টবিরোধী ও বাংলাদেশপন্থি শক্তিরাই নতুন বাংলাদেশ গড়বে।” তিনি দাবি করেন, “নভেম্বরের মধ্যেই শেখ হাসিনার বিচারের রায় হবে, কারণ ফ্যাসিবাদ কেবল ব্যক্তির নয়, একটি আইডিয়ার নাম।”

এনসিপি নেতারা সভায় জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিন সাংগঠনিক জেলা এখন ‘প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ’। তারা আসন্ন নির্বাচনে ১৬ আসনের মধ্যে অন্তত ১০–১২টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে আশা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ‘রাজপথকেই সংসদ বানানোর’ আহ্বানটি এনসিপির তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন বিস্তারের ইঙ্গিত বহন করে। তরুণ ও প্রগতিশীল শ্রেণির মধ্যে দলের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চায় তারা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মীর আরশাদুল আলম। উপস্থিত ছিলেন এ এস এম সুজা উদ্দিন, হাসান আলী ও জুবাইরুল ইসলাম আরিফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।