শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ, তৃণমূলে অসন্তোষ চরমে

#
news image

ঝালকাঠি-২ (নলছিটি–ঝালকাঠি সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ইলেন ভূট্টোর নাম ঘোষণার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, দীর্ঘদিন মাঠে অনুপস্থিত এবং স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা একজনকে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণায় তারা হতাশ ও বিস্মিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দলের ঘোষিত প্রাথমিক তালিকায় ইলেন ভূট্টোর নাম আসার পর থেকেই ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, ইলেন ভূট্টো গত ১৬–১৭ বছর এলাকায় সক্রিয় ছিলেন না, অংশ নেননি কোনো দলীয় কর্মসূচিতে এবং স্থানীয় সংগঠনের সঙ্গে তার যোগাযোগও ছিল না।

একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্র থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা তৃণমূলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের প্রতি অবিচার। তারা দাবি করছেন, দলে যেসব নেতা বিগত বছরগুলোতে মামলা–হামলার শিকার হয়ে সংগঠন টিকিয়ে রেখেছেন, তাদের উপেক্ষা করে ‘বহিরাগত’ কাউকে মনোনয়ন দিলে তা দলের ভোটব্যাংকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের অভিযোগ, ইলেন ভূট্টো ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই এলাকা ত্যাগ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ আমলে তিনি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় থেকে নিরাপদ জীবনযাপন করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা বা হামলার রেকর্ড নেই বলেও দাবি স্থানীয়দের।

দলীয় নেতাদের মতে, ঝালকাঠি-২ আসনে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা তৃণমূল নেতাদের মূল্যায়ন না করে যদি চূড়ান্ত মনোনয়ন বহিরাগত বা নিষ্ক্রিয় প্রার্থীর হাতে যায়, তাহলে মাঠপর্যায়ে বিভাজন সৃষ্টি হতে পারে এবং আসনটি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দলীয় একটি সূত্র জানায়, প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো নির্ধারিত হয়নি, তৃণমূলের মতামত বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে দল।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

৫-১১-২০২৫ বিকাল ৬:২২

news image

ঝালকাঠি-২ (নলছিটি–ঝালকাঠি সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ইলেন ভূট্টোর নাম ঘোষণার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, দীর্ঘদিন মাঠে অনুপস্থিত এবং স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা একজনকে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণায় তারা হতাশ ও বিস্মিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দলের ঘোষিত প্রাথমিক তালিকায় ইলেন ভূট্টোর নাম আসার পর থেকেই ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, ইলেন ভূট্টো গত ১৬–১৭ বছর এলাকায় সক্রিয় ছিলেন না, অংশ নেননি কোনো দলীয় কর্মসূচিতে এবং স্থানীয় সংগঠনের সঙ্গে তার যোগাযোগও ছিল না।

একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্র থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা তৃণমূলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের প্রতি অবিচার। তারা দাবি করছেন, দলে যেসব নেতা বিগত বছরগুলোতে মামলা–হামলার শিকার হয়ে সংগঠন টিকিয়ে রেখেছেন, তাদের উপেক্ষা করে ‘বহিরাগত’ কাউকে মনোনয়ন দিলে তা দলের ভোটব্যাংকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের অভিযোগ, ইলেন ভূট্টো ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই এলাকা ত্যাগ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ আমলে তিনি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় থেকে নিরাপদ জীবনযাপন করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা বা হামলার রেকর্ড নেই বলেও দাবি স্থানীয়দের।

দলীয় নেতাদের মতে, ঝালকাঠি-২ আসনে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা তৃণমূল নেতাদের মূল্যায়ন না করে যদি চূড়ান্ত মনোনয়ন বহিরাগত বা নিষ্ক্রিয় প্রার্থীর হাতে যায়, তাহলে মাঠপর্যায়ে বিভাজন সৃষ্টি হতে পারে এবং আসনটি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দলীয় একটি সূত্র জানায়, প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো নির্ধারিত হয়নি, তৃণমূলের মতামত বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে দল।