শিরোনামঃ
প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে টেন্ডার বাণিজ্য- রূপনগরে দুই প্রতারক আটক আইনের হাতে সোপর্দ জুলকান ইনডোর অ্যারেনা'য় সম্পন্ন হলো জুলকান বিটডাউন ব্যবসায়ীদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে থমকে যাবে নতুন বিনিয়োগ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি

প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে টেন্ডার বাণিজ্য- রূপনগরে দুই প্রতারক আটক আইনের হাতে সোপর্দ

#
news image

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান-এর নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার নামে অবৈধ লেনদেন ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডিএনসিসি প্রশাসন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে রূপনগর এলাকায় অবৈধ টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করে রূপনগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন রূপনগর এলাকায় অভিযানের সময় উপস্থিত থেকে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান।

এ সময় তিনি বলেন- “দীর্ঘদিন ধরে আমার নাম ভাঙিয়ে একটি চক্র ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে অবৈধ লেনদেন করে আসছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন কিংবা আমার কোনো লোক এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।”

তিনি আরও বলেন- “ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কোনো ধরনের টেন্ডারবাজি, সিন্ডিকেট কিংবা অবৈধ কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়নি। সরকারি বিধি-বিধান এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সকল দরপত্র কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।”

প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সতর্ক করে বলেন, “যদি কেউ আমার নাম ভাঙিয়ে কিংবা ডিএনসিসির কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে তাকে বিশ্বাস করবেন না। এ ধরনের অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করুন।”

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত, এরপর হাতেনাতে আটক:

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছে নিজেদের প্রশাসকের ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছিল। এর বিনিময়ে তারা মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করত বলে অভিযোগ ওঠে।

একাধিক অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে নজরদারি বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে রূপনগর এলাকায় অবৈধ লেনদেনের সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রূপনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

অনলাইনে টেন্ডার প্রক্রিয়া, তবুও সক্রিয় প্রতারক চক্র:

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সরকারি অধিকাংশ দরপত্র কার্যক্রম অনলাইনভিত্তিক এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ডিএনসিসির কাজ সংক্রান্ত দরপত্রও নির্ধারিত বিজ্ঞপ্তি ও সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করে প্রকাশ করা হয়।

তবে এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি প্রতারক চক্র নিজেদের প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের বিভ্রান্ত করছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয় এবং আগাম অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

নগরবাসীর প্রতি প্রশাসকের আহ্বান:

ডিএনসিসি প্রশাসক নগরবাসী, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও সেবাগ্রহীতাদের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি কাজ পাওয়ার একমাত্র বৈধ পথ হলো সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দরপত্রে অংশগ্রহণ করা। কোনো ব্যক্তি, দালাল, মধ্যস্থতাকারী বা স্বঘোষিত প্রতিনিধি যদি বিশেষ সুবিধা বা কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

তিনি বলেন, “দুর্নীতি ও টেন্ডার সিন্ডিকেটমুক্ত নগর প্রশাসন গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। কোনো ব্যক্তি যত প্রভাবশালী পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।”

বিশেষজ্ঞদের মতামত:

সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের আটক এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জনআস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তারা মনে করেন, সরকারি টেন্ডার ও ক্রয় কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অনলাইন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং প্রতারকদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এ ধরনের অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

সতর্কতামূলক নির্দেশনা:

সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে কারও কাছে অর্থ প্রদান করবেন না।

শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট ও অনুমোদিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুসরণ করুন।

কোনো ব্যক্তি প্রশাসক বা কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিলে তার পরিচয় যাচাই করুন।

সন্দেহজনক লেনদেন বা প্রতারণার প্রস্তাব পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান।

সরকারি দরপত্র সংক্রান্ত সব তথ্য নির্ধারিত অফিসিয়াল মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করুন।

রূপনগরে দুই ব্যক্তিকে-

আটক ও পুলিশের কাছে সোপর্দ করার ঘটনা শুধু একটি প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান নয়, বরং প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে টেন্ডার বাণিজ্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

ডিএনসিসি প্রশাসনের দাবি, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং নগরবাসীকে প্রতারণা থেকে রক্ষায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে।

শহিদুল ইসলাম খোকন

১৩-৬-২০২৬ রাত ১০:৩

news image

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান-এর নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার নামে অবৈধ লেনদেন ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডিএনসিসি প্রশাসন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে রূপনগর এলাকায় অবৈধ টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করে রূপনগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন রূপনগর এলাকায় অভিযানের সময় উপস্থিত থেকে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান।

এ সময় তিনি বলেন- “দীর্ঘদিন ধরে আমার নাম ভাঙিয়ে একটি চক্র ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে অবৈধ লেনদেন করে আসছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন কিংবা আমার কোনো লোক এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।”

তিনি আরও বলেন- “ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কোনো ধরনের টেন্ডারবাজি, সিন্ডিকেট কিংবা অবৈধ কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়নি। সরকারি বিধি-বিধান এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সকল দরপত্র কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।”

প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সতর্ক করে বলেন, “যদি কেউ আমার নাম ভাঙিয়ে কিংবা ডিএনসিসির কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে তাকে বিশ্বাস করবেন না। এ ধরনের অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করুন।”

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত, এরপর হাতেনাতে আটক:

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছে নিজেদের প্রশাসকের ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছিল। এর বিনিময়ে তারা মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করত বলে অভিযোগ ওঠে।

একাধিক অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে নজরদারি বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে রূপনগর এলাকায় অবৈধ লেনদেনের সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রূপনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

অনলাইনে টেন্ডার প্রক্রিয়া, তবুও সক্রিয় প্রতারক চক্র:

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সরকারি অধিকাংশ দরপত্র কার্যক্রম অনলাইনভিত্তিক এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ডিএনসিসির কাজ সংক্রান্ত দরপত্রও নির্ধারিত বিজ্ঞপ্তি ও সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করে প্রকাশ করা হয়।

তবে এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি প্রতারক চক্র নিজেদের প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের বিভ্রান্ত করছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয় এবং আগাম অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

নগরবাসীর প্রতি প্রশাসকের আহ্বান:

ডিএনসিসি প্রশাসক নগরবাসী, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও সেবাগ্রহীতাদের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি কাজ পাওয়ার একমাত্র বৈধ পথ হলো সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দরপত্রে অংশগ্রহণ করা। কোনো ব্যক্তি, দালাল, মধ্যস্থতাকারী বা স্বঘোষিত প্রতিনিধি যদি বিশেষ সুবিধা বা কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

তিনি বলেন, “দুর্নীতি ও টেন্ডার সিন্ডিকেটমুক্ত নগর প্রশাসন গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। কোনো ব্যক্তি যত প্রভাবশালী পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।”

বিশেষজ্ঞদের মতামত:

সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের আটক এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জনআস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তারা মনে করেন, সরকারি টেন্ডার ও ক্রয় কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অনলাইন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং প্রতারকদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এ ধরনের অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

সতর্কতামূলক নির্দেশনা:

সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে কারও কাছে অর্থ প্রদান করবেন না।

শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট ও অনুমোদিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুসরণ করুন।

কোনো ব্যক্তি প্রশাসক বা কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিলে তার পরিচয় যাচাই করুন।

সন্দেহজনক লেনদেন বা প্রতারণার প্রস্তাব পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান।

সরকারি দরপত্র সংক্রান্ত সব তথ্য নির্ধারিত অফিসিয়াল মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করুন।

রূপনগরে দুই ব্যক্তিকে-

আটক ও পুলিশের কাছে সোপর্দ করার ঘটনা শুধু একটি প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান নয়, বরং প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে টেন্ডার বাণিজ্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

ডিএনসিসি প্রশাসনের দাবি, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং নগরবাসীকে প্রতারণা থেকে রক্ষায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে।