শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

বোয়িং-এয়ারবাস প্রতিযোগিতা: বাংলাদেশের আকাশে কূটনৈতিক দৌড়

#
news image

বাংলাদেশের আকাশে এখন শুধু বিমানের গর্জন নয়, চলছে কূটনৈতিক কৌশলেরও দৌড়। ইউরোপের শীর্ষ বিমান নির্মাতা এয়ারবাস এখন সরাসরি ঢাকায় কূটনৈতিক মাঠে নেমেছে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে।

মঙ্গলবার ঢাকায় ফ্রান্স-জার্মান দূতাবাসে আয়োজিত এক আলোচনায় “বাংলাদেশের এভিয়েশন গ্রোথ” নিয়ে সরব হয় ইউরোপীয় কূটনীতিকরা। উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা। আলোচনায় তারা বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ যুক্ত হলে প্রতিষ্ঠানটি আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।

বর্তমানে এয়ারবাস বিমানের কাছে ১৪টি উড়োজাহাজ বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে—এর মধ্যে ১০টি এয়ারবাস A-350 এবং ৪টি A-320neo। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংও পিছিয়ে নেই; তারা দিয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজ বিক্রির প্রস্তাব

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বলেন, “এয়ারবাস শুধু ইউরোপের নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অংশীদার। বাংলাদেশ এখন আঞ্চলিক বিমান হাব হিসেবে গড়ে ওঠার পথে, আর এই যাত্রায় এয়ারবাস হতে পারে কৌশলগত সহযাত্রী।”

জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজ মনে করেন, বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও যাত্রীচাহিদা বৃদ্ধির ফলে এখন সময় এসেছে পরিবেশবান্ধব উড়োজাহাজে বিনিয়োগের।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, “বাংলাদেশের বিমান খাতে যুক্তরাজ্যের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।” ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার যোগ করেন, “এভিয়েশন খাত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সংযোগ আরও বাড়িয়ে তুলবে।”

এয়ারবাস প্রতিনিধি রাফায়েল গোমেজ নয়া জানান, বিশ্বে ২৫ হাজারের বেশি বিমান বিক্রি করেছে এয়ারবাস, যার ৭২ শতাংশ দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি আশাবাদী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সও ভবিষ্যতের বহর নির্বাচনে এয়ারবাসকে বেছে নেবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৪-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৭

news image

বাংলাদেশের আকাশে এখন শুধু বিমানের গর্জন নয়, চলছে কূটনৈতিক কৌশলেরও দৌড়। ইউরোপের শীর্ষ বিমান নির্মাতা এয়ারবাস এখন সরাসরি ঢাকায় কূটনৈতিক মাঠে নেমেছে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে।

মঙ্গলবার ঢাকায় ফ্রান্স-জার্মান দূতাবাসে আয়োজিত এক আলোচনায় “বাংলাদেশের এভিয়েশন গ্রোথ” নিয়ে সরব হয় ইউরোপীয় কূটনীতিকরা। উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা। আলোচনায় তারা বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ যুক্ত হলে প্রতিষ্ঠানটি আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।

বর্তমানে এয়ারবাস বিমানের কাছে ১৪টি উড়োজাহাজ বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে—এর মধ্যে ১০টি এয়ারবাস A-350 এবং ৪টি A-320neo। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংও পিছিয়ে নেই; তারা দিয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজ বিক্রির প্রস্তাব

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বলেন, “এয়ারবাস শুধু ইউরোপের নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অংশীদার। বাংলাদেশ এখন আঞ্চলিক বিমান হাব হিসেবে গড়ে ওঠার পথে, আর এই যাত্রায় এয়ারবাস হতে পারে কৌশলগত সহযাত্রী।”

জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজ মনে করেন, বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও যাত্রীচাহিদা বৃদ্ধির ফলে এখন সময় এসেছে পরিবেশবান্ধব উড়োজাহাজে বিনিয়োগের।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, “বাংলাদেশের বিমান খাতে যুক্তরাজ্যের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।” ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার যোগ করেন, “এভিয়েশন খাত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সংযোগ আরও বাড়িয়ে তুলবে।”

এয়ারবাস প্রতিনিধি রাফায়েল গোমেজ নয়া জানান, বিশ্বে ২৫ হাজারের বেশি বিমান বিক্রি করেছে এয়ারবাস, যার ৭২ শতাংশ দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি আশাবাদী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সও ভবিষ্যতের বহর নির্বাচনে এয়ারবাসকে বেছে নেবে।