শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

নির্বাচন ঘিরে সক্রিয় তিন বাহিনী, ইউনূস সরকারের ‘নিরাপত্তা বার্তা’ জোরালো

#
news image

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগোল। শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— “ভোটের মাঠ হবে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা।”

বৈঠকে তিন বাহিনী প্রধানরা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জানা গেছে, এবার প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে। মোট প্রায় ৯০ হাজার সেনা, আড়াই হাজার নৌ ও দেড় হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠকটি আসলে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘বিশ্বাস পুনর্গঠনের বার্তা’। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জনগণকে আশ্বস্ত করতেই এই পদক্ষেপ।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এই নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর।”
একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৫ মাসে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর এই সরাসরি সম্পৃক্তি ভোটের পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে বড় ভূমিকা রাখবে।

নিজস্ব প্রতিনিধি

১-১১-২০২৫ রাত ১১:৩৭

news image

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগোল। শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— “ভোটের মাঠ হবে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা।”

বৈঠকে তিন বাহিনী প্রধানরা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জানা গেছে, এবার প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে। মোট প্রায় ৯০ হাজার সেনা, আড়াই হাজার নৌ ও দেড় হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠকটি আসলে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘বিশ্বাস পুনর্গঠনের বার্তা’। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জনগণকে আশ্বস্ত করতেই এই পদক্ষেপ।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এই নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর।”
একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৫ মাসে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর এই সরাসরি সম্পৃক্তি ভোটের পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে বড় ভূমিকা রাখবে।