শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

নির্বাচন ঘিরে সক্রিয় তিন বাহিনী, ইউনূস সরকারের ‘নিরাপত্তা বার্তা’ জোরালো

#
news image

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগোল। শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— “ভোটের মাঠ হবে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা।”

বৈঠকে তিন বাহিনী প্রধানরা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জানা গেছে, এবার প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে। মোট প্রায় ৯০ হাজার সেনা, আড়াই হাজার নৌ ও দেড় হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠকটি আসলে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘বিশ্বাস পুনর্গঠনের বার্তা’। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জনগণকে আশ্বস্ত করতেই এই পদক্ষেপ।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এই নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর।”
একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৫ মাসে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর এই সরাসরি সম্পৃক্তি ভোটের পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে বড় ভূমিকা রাখবে।

নিজস্ব প্রতিনিধি

১-১১-২০২৫ রাত ১১:৩৭

news image

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগোল। শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— “ভোটের মাঠ হবে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা।”

বৈঠকে তিন বাহিনী প্রধানরা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জানা গেছে, এবার প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে। মোট প্রায় ৯০ হাজার সেনা, আড়াই হাজার নৌ ও দেড় হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠকটি আসলে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘বিশ্বাস পুনর্গঠনের বার্তা’। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জনগণকে আশ্বস্ত করতেই এই পদক্ষেপ।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এই নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর।”
একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৫ মাসে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর এই সরাসরি সম্পৃক্তি ভোটের পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে বড় ভূমিকা রাখবে।