শিরোনামঃ
জনবান্ধব বাজেট ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ: যেখানে সরকারকে নজর দিতে হবে প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে টেন্ডার বাণিজ্য- রূপনগরে দুই প্রতারক আটক আইনের হাতে সোপর্দ জুলকান ইনডোর অ্যারেনা'য় সম্পন্ন হলো জুলকান বিটডাউন ব্যবসায়ীদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে থমকে যাবে নতুন বিনিয়োগ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ

নির্বাচন ঘিরে সক্রিয় তিন বাহিনী, ইউনূস সরকারের ‘নিরাপত্তা বার্তা’ জোরালো

#
news image

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগোল। শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— “ভোটের মাঠ হবে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা।”

বৈঠকে তিন বাহিনী প্রধানরা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জানা গেছে, এবার প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে। মোট প্রায় ৯০ হাজার সেনা, আড়াই হাজার নৌ ও দেড় হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠকটি আসলে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘বিশ্বাস পুনর্গঠনের বার্তা’। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জনগণকে আশ্বস্ত করতেই এই পদক্ষেপ।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এই নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর।”
একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৫ মাসে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর এই সরাসরি সম্পৃক্তি ভোটের পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে বড় ভূমিকা রাখবে।

নিজস্ব প্রতিনিধি

১-১১-২০২৫ রাত ১১:৩৭

news image

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগোল। শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— “ভোটের মাঠ হবে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা।”

বৈঠকে তিন বাহিনী প্রধানরা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জানা গেছে, এবার প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে। মোট প্রায় ৯০ হাজার সেনা, আড়াই হাজার নৌ ও দেড় হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠকটি আসলে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘বিশ্বাস পুনর্গঠনের বার্তা’। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জনগণকে আশ্বস্ত করতেই এই পদক্ষেপ।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এই নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর।”
একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৫ মাসে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর এই সরাসরি সম্পৃক্তি ভোটের পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে বড় ভূমিকা রাখবে।