শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

‘১৮ হাজার বেট’—রেফারি কেলেঙ্কারিতে তুর্কি ফুটবলে আস্থার বড় সংকট

#
news image

তুর্কি ফুটবলে এক নজিরবিহীন কেলেঙ্কারি তোলপাড় তৈরি করেছে। টিএফএফের তদন্তে উঠে এসেছে, দেশের শতাধিক রেফারি ও সহকারী রেফারি সরাসরি বেটিং বা জুয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনায় ১৪৯ জনকে সাময়িক নিষিদ্ধ করে ফেডারেশন বলেছে, “এটি কাঠামোগত নয়, নৈতিক সমস্যা।”

ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা শুধু তুরস্ক নয়, আন্তর্জাতিক ফুটবলেরও এক বড় সতর্কবার্তা। কারণ, রেফারিদের নিরপেক্ষতা ফুটবলের প্রাণভোমরা; তাদেরই যদি বেটিংয়ে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়, তবে খেলাটির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

ফেডারেশন সভাপতি ইব্রাহিম হাজিওসমানোগলু জানিয়েছেন, তদন্তে দেখা গেছে একজন রেফারি ১৮,২২৭ বার বেট করেছেন—যা শোনার মতোই বিস্ময়কর। আরও ৪২ জন রেফারি ১,০০০টির বেশি ম্যাচে বেট করেছেন।

এই তথ্য প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় উঠেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় পরিসরে রেফারিদের সম্পৃক্ততা কীভাবে এতদিন ফেডারেশনের চোখ এড়িয়ে গেল?

ফুটবল বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কেলেঙ্কারি তুরস্কের ফুটবলে “বিশ্বাসের সংকট” তৈরি করবে এবং রেফারি নিয়োগ ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সংস্কারের দাবিও বাড়বে।

যদিও ফেডারেশন দাবি করছে, “বেতন সংক্রান্ত কোনো অনিয়ম হয়নি,” তবু এই ঘটনার পর থেকে তুর্কি লিগের ভবিষ্যৎ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

স্পোর্টস ডেস্ক

১-১১-২০২৫ রাত ১১:২০

news image

তুর্কি ফুটবলে এক নজিরবিহীন কেলেঙ্কারি তোলপাড় তৈরি করেছে। টিএফএফের তদন্তে উঠে এসেছে, দেশের শতাধিক রেফারি ও সহকারী রেফারি সরাসরি বেটিং বা জুয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনায় ১৪৯ জনকে সাময়িক নিষিদ্ধ করে ফেডারেশন বলেছে, “এটি কাঠামোগত নয়, নৈতিক সমস্যা।”

ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা শুধু তুরস্ক নয়, আন্তর্জাতিক ফুটবলেরও এক বড় সতর্কবার্তা। কারণ, রেফারিদের নিরপেক্ষতা ফুটবলের প্রাণভোমরা; তাদেরই যদি বেটিংয়ে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়, তবে খেলাটির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

ফেডারেশন সভাপতি ইব্রাহিম হাজিওসমানোগলু জানিয়েছেন, তদন্তে দেখা গেছে একজন রেফারি ১৮,২২৭ বার বেট করেছেন—যা শোনার মতোই বিস্ময়কর। আরও ৪২ জন রেফারি ১,০০০টির বেশি ম্যাচে বেট করেছেন।

এই তথ্য প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় উঠেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় পরিসরে রেফারিদের সম্পৃক্ততা কীভাবে এতদিন ফেডারেশনের চোখ এড়িয়ে গেল?

ফুটবল বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কেলেঙ্কারি তুরস্কের ফুটবলে “বিশ্বাসের সংকট” তৈরি করবে এবং রেফারি নিয়োগ ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সংস্কারের দাবিও বাড়বে।

যদিও ফেডারেশন দাবি করছে, “বেতন সংক্রান্ত কোনো অনিয়ম হয়নি,” তবু এই ঘটনার পর থেকে তুর্কি লিগের ভবিষ্যৎ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।