শিরোনামঃ
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ স্বেচ্ছাসেবক দলের তৃণমূলের কর্মীদের পছন্দের তালিকায় নজরুল ইসলাম এগিয়ে বিক্রি নেই, বাড়ছে ঋণের বোঝা; সংকটে আবাসন উদ্যোক্তারা বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে নারীর ভাগ্য চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ডুবে যাওয়ার আগে কৃষকের ধান কেটে দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ মালয়েশিয়ায় বাজার সম্প্রসারণে দেশবন্ধু ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের জোরালো উদ্যোগ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ইউনূস সরকারকে দায়ী করে সিপিবির আল্টিমেটাম উন্নয়নকাজের নামে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে বিপর্যস্ত ঢাকা বসুন্ধরাকে সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার তোড়জোড়ে আপত্তি গোলাম মাওলা রনির

সালমান শাহর মৃত্যুতে আকাশ ভেঙে পড়েছিল মাথায়’ — স্মৃতিচারণে আহমেদ শরীফ

#
news image

ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে এক অবিনশ্বর নাম সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমা দিয়ে জয় করেছিলেন কোটি দর্শকের হৃদয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার অকাল মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো চলচ্চিত্র অঙ্গন।

প্রায় তিন দশক পরও সেই শোক যেন এখনো তাজা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জনপ্রিয় খল অভিনেতা আহমেদ শরীফ সালমান শাহকে স্মরণ করতে গিয়ে আবেগে ভেসে যান।

তিনি বলেন, “আমার মতে, দেশে যত নায়ক এসেছে, তাদের মধ্যে সালমান শাহ সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। আমি তখন শুটিং করছিলাম। হঠাৎ খবর এল—সালমান মারা গেছে। বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল, যেন আকাশ ভেঙে পড়ল মাথার ওপর।”

সেই ভয়াবহ মুহূর্তের স্মৃতি আজও তাকে কাঁদায়। আহমেদ শরীফ আরও বলেন, “যতটুকু মনে পড়ে, সালমান শাহ স্ট্রেচারে শুয়ে ছিল। গায়ে কোনো জামা ছিল না, শুধু গলায় ছিল একটি চেইন। আমি কাছে যেতে চাইছিলাম, কিন্তু পারছিলাম না। মনটা এত ভারী হয়ে গিয়েছিল যে অজান্তেই মাটিতে বসে পড়েছিলাম।”

তিনি বলেন, “সালমানের চলে যাওয়া শুধু একটি মৃত্যুর খবর ছিল না, ছিল পুরো চলচ্চিত্রের এক যুগের অবসান।”

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর ইস্কাটন প্লাজার নিজ ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে বিবেচিত হলেও, পারিবারিক অভিযোগ ও দীর্ঘ তদন্তের পর মামলাটি বর্তমানে হত্যা মামলা হিসেবে পুনর্গঠিত হয়েছে।

আজও ভক্তদের চোখে সালমান শাহ কেবল একজন নায়ক নন—তিনি এক কিংবদন্তি, যার জনপ্রিয়তা সময়ের সঙ্গে আরও গভীর হয়ে উঠছে।

বিনোদন ডেস্ক

২৫-১০-২০২৫ রাত ১১:৪৬

news image

ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে এক অবিনশ্বর নাম সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমা দিয়ে জয় করেছিলেন কোটি দর্শকের হৃদয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার অকাল মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো চলচ্চিত্র অঙ্গন।

প্রায় তিন দশক পরও সেই শোক যেন এখনো তাজা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জনপ্রিয় খল অভিনেতা আহমেদ শরীফ সালমান শাহকে স্মরণ করতে গিয়ে আবেগে ভেসে যান।

তিনি বলেন, “আমার মতে, দেশে যত নায়ক এসেছে, তাদের মধ্যে সালমান শাহ সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। আমি তখন শুটিং করছিলাম। হঠাৎ খবর এল—সালমান মারা গেছে। বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল, যেন আকাশ ভেঙে পড়ল মাথার ওপর।”

সেই ভয়াবহ মুহূর্তের স্মৃতি আজও তাকে কাঁদায়। আহমেদ শরীফ আরও বলেন, “যতটুকু মনে পড়ে, সালমান শাহ স্ট্রেচারে শুয়ে ছিল। গায়ে কোনো জামা ছিল না, শুধু গলায় ছিল একটি চেইন। আমি কাছে যেতে চাইছিলাম, কিন্তু পারছিলাম না। মনটা এত ভারী হয়ে গিয়েছিল যে অজান্তেই মাটিতে বসে পড়েছিলাম।”

তিনি বলেন, “সালমানের চলে যাওয়া শুধু একটি মৃত্যুর খবর ছিল না, ছিল পুরো চলচ্চিত্রের এক যুগের অবসান।”

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর ইস্কাটন প্লাজার নিজ ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে বিবেচিত হলেও, পারিবারিক অভিযোগ ও দীর্ঘ তদন্তের পর মামলাটি বর্তমানে হত্যা মামলা হিসেবে পুনর্গঠিত হয়েছে।

আজও ভক্তদের চোখে সালমান শাহ কেবল একজন নায়ক নন—তিনি এক কিংবদন্তি, যার জনপ্রিয়তা সময়ের সঙ্গে আরও গভীর হয়ে উঠছে।