শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

সেনা সদস্যদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরা ‘আইনের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন’—ড. আসিফ নজরুল

#
news image

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের হাজিরা নিয়ে যখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা, তখন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বললেন—“এটি আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধার এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।”

বুধবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সেনা সদস্যরা যেভাবে এসেছেন, সেনা প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর প্রধান যেভাবে সহযোগিতা করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

বুধবার সকালে ১৫ জন অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পরে তাঁদের সাব-জেলে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

সেনা সদস্যদের জন্য আলাদা সাব-জেল কেন প্রয়োজন—এই প্রশ্নে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ওনাদের কোথায় রাখা হবে, সেটা সম্পূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। তাঁরা যা উপযুক্ত মনে করবেন, সেটিই করবেন।”

আইন উপদেষ্টার এই মন্তব্যে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে এটি এক ধরনের ‘সামরিক সহযোগিতার প্রশংসা’—যা বিচারপদ্ধতির প্রতি আস্থা পুনর্গঠনে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

২৩-১০-২০২৫ রাত ১২:৮

news image

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের হাজিরা নিয়ে যখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা, তখন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বললেন—“এটি আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধার এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।”

বুধবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সেনা সদস্যরা যেভাবে এসেছেন, সেনা প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর প্রধান যেভাবে সহযোগিতা করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

বুধবার সকালে ১৫ জন অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পরে তাঁদের সাব-জেলে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

সেনা সদস্যদের জন্য আলাদা সাব-জেল কেন প্রয়োজন—এই প্রশ্নে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ওনাদের কোথায় রাখা হবে, সেটা সম্পূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। তাঁরা যা উপযুক্ত মনে করবেন, সেটিই করবেন।”

আইন উপদেষ্টার এই মন্তব্যে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে এটি এক ধরনের ‘সামরিক সহযোগিতার প্রশংসা’—যা বিচারপদ্ধতির প্রতি আস্থা পুনর্গঠনে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।