শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

সেনা সদস্যদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরা ‘আইনের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন’—ড. আসিফ নজরুল

#
news image

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের হাজিরা নিয়ে যখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা, তখন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বললেন—“এটি আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধার এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।”

বুধবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সেনা সদস্যরা যেভাবে এসেছেন, সেনা প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর প্রধান যেভাবে সহযোগিতা করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

বুধবার সকালে ১৫ জন অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পরে তাঁদের সাব-জেলে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

সেনা সদস্যদের জন্য আলাদা সাব-জেল কেন প্রয়োজন—এই প্রশ্নে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ওনাদের কোথায় রাখা হবে, সেটা সম্পূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। তাঁরা যা উপযুক্ত মনে করবেন, সেটিই করবেন।”

আইন উপদেষ্টার এই মন্তব্যে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে এটি এক ধরনের ‘সামরিক সহযোগিতার প্রশংসা’—যা বিচারপদ্ধতির প্রতি আস্থা পুনর্গঠনে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

২৩-১০-২০২৫ রাত ১২:৮

news image

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের হাজিরা নিয়ে যখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা, তখন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বললেন—“এটি আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধার এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।”

বুধবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সেনা সদস্যরা যেভাবে এসেছেন, সেনা প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর প্রধান যেভাবে সহযোগিতা করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

বুধবার সকালে ১৫ জন অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পরে তাঁদের সাব-জেলে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

সেনা সদস্যদের জন্য আলাদা সাব-জেল কেন প্রয়োজন—এই প্রশ্নে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ওনাদের কোথায় রাখা হবে, সেটা সম্পূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। তাঁরা যা উপযুক্ত মনে করবেন, সেটিই করবেন।”

আইন উপদেষ্টার এই মন্তব্যে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে এটি এক ধরনের ‘সামরিক সহযোগিতার প্রশংসা’—যা বিচারপদ্ধতির প্রতি আস্থা পুনর্গঠনে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।