শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

ইউনূস-জামায়াত-এনসিপি বৈঠক: নির্বাচনী নিরপেক্ষতার আশ্বাস, আলোচনায় জুলাই সনদ ও গণভোট

#
news image

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ‘জুলাই সনদ’ ও নির্বাচনকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা—তখনই পৃথক বৈঠকে বসলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।

বুধবার (২২ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই দুই বৈঠককে রাজনৈতিক মহল নির্বাচনের আগে সংলাপ-উদ্যোগের ধারাবাহিক অংশ হিসেবেই দেখছে।

বৈঠকে ইউনূস আশ্বাস দেন—অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, “নির্বাচন যেন সব দলের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।”

এনসিপির সঙ্গে বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের রোডম্যাপ ও গণভোটের সময়সূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও সনদের বাস্তবায়নে সরকারের দৃঢ়তা প্রয়োজন।”

প্রধান উপদেষ্টা জবাবে জানান, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ইতিমধ্যে এ বিষয়ে কাজ করছে। এনসিপিসহ সব পক্ষের অংশগ্রহণ জরুরি।”

অন্যদিকে জামায়াত নেতারা জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই সনদে গণভোটের দাবি জানান। নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ তাহের বলেন, “নির্বাচনের আগেই গণভোট হওয়া প্রয়োজন, অন্যথায় ভোট প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।”

প্রধান উপদেষ্টা তাঁদের আশ্বস্ত করেন, প্রশাসনের যেকোনো পরিবর্তন তিনি নিজে তদারকি করবেন এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পদক্ষেপ নেবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকগুলো আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে—বিশেষত জুলাই সনদকে ঘিরে সরকারের অবস্থান ও বিরোধী দলের কৌশল এখনই স্পষ্ট হচ্ছে।

সূত্র: বাসস

ডেস্ক রিপোর্ট

২৩-১০-২০২৫ রাত ১২:৪

news image

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ‘জুলাই সনদ’ ও নির্বাচনকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা—তখনই পৃথক বৈঠকে বসলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।

বুধবার (২২ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই দুই বৈঠককে রাজনৈতিক মহল নির্বাচনের আগে সংলাপ-উদ্যোগের ধারাবাহিক অংশ হিসেবেই দেখছে।

বৈঠকে ইউনূস আশ্বাস দেন—অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, “নির্বাচন যেন সব দলের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।”

এনসিপির সঙ্গে বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের রোডম্যাপ ও গণভোটের সময়সূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও সনদের বাস্তবায়নে সরকারের দৃঢ়তা প্রয়োজন।”

প্রধান উপদেষ্টা জবাবে জানান, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ইতিমধ্যে এ বিষয়ে কাজ করছে। এনসিপিসহ সব পক্ষের অংশগ্রহণ জরুরি।”

অন্যদিকে জামায়াত নেতারা জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই সনদে গণভোটের দাবি জানান। নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ তাহের বলেন, “নির্বাচনের আগেই গণভোট হওয়া প্রয়োজন, অন্যথায় ভোট প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।”

প্রধান উপদেষ্টা তাঁদের আশ্বস্ত করেন, প্রশাসনের যেকোনো পরিবর্তন তিনি নিজে তদারকি করবেন এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পদক্ষেপ নেবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকগুলো আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে—বিশেষত জুলাই সনদকে ঘিরে সরকারের অবস্থান ও বিরোধী দলের কৌশল এখনই স্পষ্ট হচ্ছে।

সূত্র: বাসস