শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

সালমান শাহ হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ৭ ডিসেম্বর

#
news image

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে আনার অভিযোগে রমনা মডেল থানার মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান মামলার এজাহার গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

আসামিদের নাম ও প্রেক্ষাপট

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সামীরা হকের মা লতিফা হক লুছি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

এর আগে গত সোমবার সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। ওইদিন মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা করা হলেও পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করা হয়।

আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডির প্রতিবেদন আদালতে জমা হয়, যেখানে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০০৩ সালে মামলা বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠানো হয়। ২০১৪ সালে আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, যা সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে চিহ্নিত করে।

কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর ছেলে হত্যার মামলার বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন মা নীলা চৌধুরী। ২০১৫ সালে তিনি বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন। সর্বশেষ পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে গ্রহণ করা হয়।

২০২২ সালের ১২ জুন এই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়। আগামী ৭ ডিসেম্বর আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১-১০-২০২৫ রাত ১১:৫৭

news image

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে আনার অভিযোগে রমনা মডেল থানার মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান মামলার এজাহার গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

আসামিদের নাম ও প্রেক্ষাপট

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সামীরা হকের মা লতিফা হক লুছি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

এর আগে গত সোমবার সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। ওইদিন মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা করা হলেও পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করা হয়।

আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডির প্রতিবেদন আদালতে জমা হয়, যেখানে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০০৩ সালে মামলা বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠানো হয়। ২০১৪ সালে আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, যা সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে চিহ্নিত করে।

কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর ছেলে হত্যার মামলার বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন মা নীলা চৌধুরী। ২০১৫ সালে তিনি বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন। সর্বশেষ পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে গ্রহণ করা হয়।

২০২২ সালের ১২ জুন এই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়। আগামী ৭ ডিসেম্বর আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।